দীর্ঘদিন ধরে চড়া দামে সবজি কিনতে হচ্ছে খুলনার মানুষকে। দাম কিছুটা কমলেও এখনো অনেক সবজির বাজার স্বস্তির মধ্যে ফিরেনি। অন্যদিকে মাছ ও মুরগির বাজার তুলনামূলকভাবে কিছুটা নিম্নমুখী—যা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য স্বস্তির খবর।
রোববার (৩০ নভেম্বর) সকালে খুলনার নতুন বাজার, নিউ মার্কেট ও মিস্ত্রিপাড়া বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজারে শিম কেজিপ্রতি ৮০ টাকা, ফুলকপি ৬০–৭০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০–৫০ টাকা, করলা ৭০–৮০ টাকা, পটোল ৪০–৫০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৪০–৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। টমেটো কেজিপ্রতি ৮০–১০০ টাকা, আর কাঁচামরিচ মানভেদে ১২০–১৪০ টাকা।
পেঁয়াজের দাম ১১০–১৩০ টাকা এবং রসুন ৮০–১০০ টাকা কেজি।
খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে প্রচুর সরবরাহ না হওয়ায় সবজির দাম দ্রুত কমছে না।
নিউ মার্কেটের সবজি বিক্রেতা হামিদ শেখ বলেন,
“কিছু শীতকালীন সবজির দাম ৫–১০ টাকা কমেছে। ঠান্ডা বাড়লে সরবরাহ বাড়বে, তখন দাম আরও কমবে।”
ব্রয়লার মুরগি ১৫০–১৬০ টাকা কেজি, সোনালি ২৭০ টাকা এবং লেয়ার ২৩০–২৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
গরুর মাংস ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১১৫০–১২০০ টাকা কেজি।
মাছের বাজারে রুই ২২০–২৫০ টাকা, কাতল ২৪০–২৫০, তেলাপিয়া ১৫০–১৬০, পাবদা ৩০০–৩৫০ এবং চিংড়ি ৬০০–৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাছ বিক্রেতা কামরুল হক বলেন,
“দেশি–সামুদ্রিক মাছ ৪০–৫০ টাকা কেজিতে কমেছে। চাষের মাছের দামও কম।”
বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে আসা ক্রেতাদের অনেকেই বলছেন, সবজির দাম এখনো তাঁদের বাজেটে চাপ তৈরি করছে।
ক্রেতা আবু বক্কর জানান,
“টমেটোর দাম ৭০–৮০ টাকার নিচে নেই। ফুলকপিও ৫০ টাকার ওপরে। সবজির দাম আরেকটু কমলে ভালো হতো।”
গৃহিণী রেশমা সুলতানা মনে করেন, মনিটরিং বাড়ালে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব,
“সরবরাহ ঠিক আছে, তারপরও দাম বেশি। মাছের দাম কমেছে—এটাই এখন ভরসা।”
ব্যবসায়ীরা বলছেন, মাঠে নতুন সবজির উৎপাদন বাড়লে বাজার দ্রুত স্বাভাবিক হবে। তাপমাত্রা কমার সঙ্গে সঙ্গে সরবরাহ বাড়ার প্রত্যাশাও রয়েছে।
আরএস
No comments yet. Be the first to comment!