সারাদেশ

৭ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা, দুর্ভোগে জনজীবন

আপডেট: জানু ০৬, ২০২৬ : ০৫:১১ এএম
৭ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা, দুর্ভোগে জনজীবন

মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় কাঁপছে দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গা। হাড়কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন দিন আনা দিন খাওয়া শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ।

আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। চলতি শীত মৌসুমে এটিই জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

তীব্র শীতে ভোর থেকেই শহরের বিভিন্ন মোড়, বাসস্ট্যান্ড ও চায়ের দোকানের সামনে নিম্ন আয়ের মানুষদের আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে। অনেকেই বলছেন, এই শীতে স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে নেওয়াই কঠিন হয়ে পড়েছে।

কৃষকেরা জানান, ভোরে মাঠে কাজে বের হলেই হাত-পা অবশ হয়ে আসে। মনে হয়, যেন ফ্রিজের ভেতরে দাঁড়িয়ে আছি। তারপরও পেটের দায়ে কাজ খুঁজতে বের হতে হয়। অনেক সময় কাজ না পেয়ে খালি হাতেই বাড়ি ফিরতে হয়।

তীব্র শীতের প্রভাব পড়েছে শিক্ষার্থীদের ওপরও। ভোরে প্রাইভেট পড়তে যাওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, কয়েক দিন ধরে প্রচণ্ড শীত ও হিমেল বাতাসের কারণে যানবাহনে চলাচল করা কষ্টকর হয়ে উঠেছে।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আগে ভ্যান বা ইজিবাইকে যেতাম। এখন শীতের কারণে উঠতে পারি না। হেঁটেই যেতে হচ্ছে। হাঁটলে শরীর কিছুটা গরম হয়, তবে হাত-পা বরফ হয়ে যায়।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামিনুর রহমান বলেন, জেলার ওপর দিয়ে আগামী ১১ বা ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।


আরএস

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!