স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনমত গড়ে তোলা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তিনি বলেন, সংবিধান বা উচ্চকক্ষ–নিম্নকক্ষের জটিল ব্যাখ্যা নয়, বরং গণভোট নাগরিকের দৈনন্দিন জীবনে কী প্রভাব ফেলবে—তা সাধারণ মানুষের কাছে স্পষ্ট করে তুলে ধরতেই সরকার কাজ করছে।
গতকাল শুক্রবার সিলেটে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে গণভোট নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, যারা নির্বাচন চায় না, তারা নির্বাচন ঠেকাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। তাই জনগণকে যত বেশি যুক্ত করা যাবে, তত দ্রুত অশুভ ও নির্বাচনবিরোধী শক্তিকে পরাজিত করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, ইতিমধ্যে নানা ধরনের গুজব ছড়ানো শুরু হয়েছে। কোথাও কোনো গুজব শোনা গেলে তা যে ভুল, সেটি তাৎক্ষণিকভাবে তুলে ধরতে হবে। ভুল তথ্যের বিপরীতে সঠিক তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে আস্থা তৈরি হবে।
নূরজাহান বেগম বলেন, যত বেশি মানুষ গণভোট ও নির্বাচনে অংশ নেবে, ততই অশুভ শক্তি পিছু হটতে বাধ্য হবে। এসব শক্তিকে সামনে এগোতে দেওয়া যাবে না। তারা সামনে এলে সহিংসতা তৈরি করে—এই আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভয় না পেয়ে সবাইকে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যেতে হবে।
আসন্ন ১২ জানুয়ারির নির্বাচন ও গণভোটে ভোটার উপস্থিতি অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘আমরা একটি রেকর্ড সৃষ্টি করতে চাই। গণভোটে আমরা “হ্যাঁ” ভোট দেব। ইনশাল্লাহ ইতিহাসের সবচেয়ে ভালো নির্বাচন উপহার দিতে পারব।’
সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের সঞ্চালনায় আয়োজিত সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমানসহ জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: বাসস
আরএস
No comments yet. Be the first to comment!