সারাদেশ

২০ বছর পর চট্টগ্রামে তারেক রহমান

আপডেট: জানু ২৫, ২০২৬ : ০৫:০২ এএম ১২
২০ বছর পর চট্টগ্রামে তারেক রহমান

দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে তিনি চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।

বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান বিএনপির সিনিয়র নেতারা ও চট্টগ্রাম মহানগরের নেতারা। এ সময় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ চট্টগ্রামের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিত থাকতে দেখা যায়।

দলের প্রধান হিসেবে তারেক রহমানের প্রায় ২০ বছর পর প্রথম চট্টগ্রাম সফরকে ঘিরে বন্দরনগরীতে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক উত্তাপ ও উৎসবমুখর পরিবেশ। নগরীর প্রধান সড়ক, মোড় ও অলিগলিতে ব্যানার ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে চারপাশ। নেতাকর্মীদের মধ্যেও বাড়তি আগ্রহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

চট্টগ্রাম পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত মহাসমাবেশ ঘিরে কয়েক দিন ধরেই চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। মাঠের পশ্চিম পাশে বাঁশের খুঁটি ব্যবহার করে নির্মাণ করা হয়েছে ১০০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৬০ ফুট প্রস্থের একটি বিশাল মঞ্চ। আয়োজকদের ভাষ্য, এতে একসঙ্গে প্রায় দেড় হাজার মানুষের বসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মঞ্চের সামনে রাখা হচ্ছে আরও পাঁচ হাজারের বেশি চেয়ার।

মাঠ ও আশপাশের এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে দুই শতাধিক মাইক এবং ১০টি শক্তিশালী সাউন্ডবক্স। পলোগ্রাউন্ড মাঠ থেকে কদমতলী ও টাইগারপাস পর্যন্ত এলাকায় ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে প্রায় ২০০টি মাইক। শনিবার সরেজমিনে দেখা যায়, মাঠ সমতল করা হয়েছে এবং চারপাশে নিরাপত্তা ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের গাড়ি দিয়ে ধুলো নিয়ন্ত্রণে মাঠে পানি ছিটানো হয়। একের পর এক গাড়িতে করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা মাঠে প্রবেশ করছেন।

মহাসমাবেশ উপলক্ষে চট্টগ্রাম নগরীকে আনা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায়। প্রায় দুই হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। পুরো এলাকাকে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ভাগ করা হয়েছে—রেড জোন, ইয়েলো জোন ও গ্রিন জোন।

মঞ্চকে রেড জোন ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে কেবল বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থায়ী কমিটির সদস্যরা এবং বৃহত্তর চট্টগ্রামের ২৩টি আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীরা অবস্থান করতে পারবেন। মঞ্চের সামনের অংশ রাখা হয়েছে ইয়েলো জোন, যেখানে সাংবাদিকদের পাশাপাশি নারীদের জন্য আলাদা ব্লক থাকবে। পুরো মাঠকে গ্রিন জোন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে সর্বশেষ ২০০৫ সালের ৬ মে তারেক রহমান চট্টগ্রাম সফর করেন।


আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!