সারাদেশ

খাল খননের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে জলাবদ্ধতামুক্ত করা হবে: চসিক মেয়র

আপডেট: ফেব ০৪, ২০২৬ : ০৩:৫৯ পিএম
খাল খননের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে জলাবদ্ধতামুক্ত করা হবে: চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম মহানগরের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে খাল খনন কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, দখল ও ভরাটে ক্ষতিগ্রস্ত প্রাকৃতিক খালগুলো পুনরুদ্ধার করা গেলে নগরীর পানি নিষ্কাশনব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে।

আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) নগরের খুলশী লেকসিটি আবাসিক এলাকার কৈবল্যধামের পেছনে কালির ছড়া খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন মেয়র।

মেয়র বলেন, নগরীর খালগুলো দখল, ভরাট ও অপরিকল্পিত স্থাপনার কারণে পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে একসঙ্গে দখলমুক্তকরণ ও নিয়মিত খনন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম শহরের অন্যতম প্রধান সমস্যা এখন জলাবদ্ধতা। বর্ষা মৌসুম এলেই ফরিদারপাড়া, বহদ্দারহাট, চান্দগাঁও, বাকলিয়া ও মুরাদপুরসহ বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। এ সমস্যা সমাধানে সিটি কর্পোরেশন খাল পুনরুদ্ধার, নালা পরিষ্কার এবং পানি প্রবাহের পথ উন্মুক্ত রাখতে কাজ করছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘প্রাকৃতিক খালগুলোই ছিল চট্টগ্রামের পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম। সেগুলো পুনরুদ্ধার করা গেলে অল্প সময়েই জলাবদ্ধতা অনেকটাই কমে আসবে। কালির ছড়া খাল খনন তারই একটি অংশ। পর্যায়ক্রমে নগরীর সব গুরুত্বপূর্ণ খাল পরিষ্কার ও খনন করা হবে।’

মেয়র জানান, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) বর্তমানে নগরীর ৩৬টি খালে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বাকি ২১টি খাল পরিষ্কার ও খননের দায়িত্ব চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন গ্রহণ করবে। তবে খাল খননের পাশাপাশি দখল, ভরাট ও বর্জ্য ফেলা বন্ধে নগরবাসীর সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

খাল দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে কেউ যেন খাল ভরাট বা দখল করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে বলে জানান তিনি। নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, খাল ও নালায় পলিথিন ও প্লাস্টিকসহ কোনো ধরনের আবর্জনা ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানে চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহি এবং উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব শর্মাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!