ভোটের ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নারী প্রার্থীদের সর্বোচ্চ ভোট ছিল ২,৮৭৬ এবং সর্বনিম্ন ১৫৩।
ঠাকুরগাঁও-২: নূরুন নাহার বেগম লাঙ্গল (জাতীয় পার্টি) – ২,৮৭৬ ভোট
ঠাকুরগাঁও-৩: স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মনি – ২৭৯ ভোট
রংপুর-৩: স্বতন্ত্র প্রার্থী রিটা রহমান – ৪৬১ ভোট
রংপুর-৪: প্রগতি বর্মণ (বাসদ মার্কসবাদী) – ২৪৩ ভোট
রংপুর-৬: তাকিয়া জাহান চৌধুরী (স্বতন্ত্র) – ১৫৩ ভোট
গাইবান্ধা-১: ছালমা আক্তার (স্বতন্ত্র) – ৩৭৮ ভোট
গাইবান্ধা-৫: রাহেলা খাতুন (বাসদ মার্কসবাদী) – ২৪৯ ভোট
দিনাজপুর-৩: কিবরিয়া হোসেন মই – ২৮৩ ভোট, লায়লা তুল রীমা – ২১৪ ভোট
রংপুর-৩ (ব্যালট পেপারে থাকা, সরে দাঁড়ানো স্বতন্ত্র প্রার্থী) আনোয়ারা ইসলাম রানী – ২৩৮ ভোট
নির্বাচনে অংশ নেওয়া নারী প্রার্থীরা জানান, অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও সাংগঠনিক প্রভাব তাদের মূল বাধা ছিল। বড় রাজনৈতিক দলগুলো নারী প্রার্থীকে প্রায়ই ‘প্রতীকী আসনে’ মনোনয়ন দেয়, যেখানে জয়লাভের সম্ভাবনা কম।
তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভোটের মাঠে নারীদের এগিয়ে আনতে শুধু উৎসাহ নয়, রাজনৈতিক দলের ভেতর কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন। সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন রংপুর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নাসিমা আমিন বলেন, “নারীদের ক্ষমতায়ন ও রাজনৈতিক বিকাশে সব দলকে এগিয়ে আসতে হবে। নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এখন সময়ের দাবি।”
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!