চট্টগ্রামে ৫৪টি খালের মোট ১২৮ কিলোমিটার খনন করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ৬২ কিলোমিটার খাল খনন সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বুধবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে জেলা তথ্য অফিস আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসক বলেন, কৃষির চাহিদা বিবেচনায় সারাদেশে খাল খনন কার্যক্রম চলছে। এর অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে বামনশাহী খালসহ একাধিক খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, খননকৃত খালের মাটি ইটভাটায় ব্যবহার করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে মাটির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হয় এবং কৃষিজমির ওপরিভাগের মাটি (টপসয়েল) সংরক্ষিত থাকে।
তিনি আরও বলেন, সিএস ও আরএস জরিপ অনুযায়ী বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া খালগুলোও পর্যায়ক্রমে পুনঃখননের আওতায় আনা হবে। কৃষি ও সেচ সুবিধা বিবেচনায় খাল খননের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা প্রশাসক জানান, হাটহাজারী উপজেলায় শিগগিরই ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু হবে। একই সঙ্গে অল্প সময়ের মধ্যেই কৃষক কার্ড চালু করা হবে।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ডিসি পার্কে ২০ হাজার গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের লক্ষ্য রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। অনুষ্ঠানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!