ধর্ম

নবী ঈসা (আ.) জীবনী: মুসলমানদের জন্য চিরন্তন শিক্ষা

আপডেট: জানু ০৩, ২০২৬ : ০৬:০৮ এএম
নবী ঈসা (আ.) জীবনী: মুসলমানদের জন্য চিরন্তন শিক্ষা

হজরত ঈসা (আ.) নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর আগমনের প্রায় ৫০০ বছর আগে পৃথিবীতে আগমন করেছিলেন। তিনি আল্লাহর কুদরতে অলৌকিকভাবে জন্মগ্রহণ করেন এবং মানুষকে তাওহীদ ও পবিত্র জীবনযাপনের শিক্ষা দিতেন। নবী ঈসা (আ.) মুসলমানদের কাছে একজন সম্মানিত নবী হিসেবে বিবেচিত।

পবিত্র কোরআনে তাকে আল্লাহর বান্দা ও সম্মানিত রাসুল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নবী ঈসা (আ.) অলৌকিকভাবে অন্ধকে সুস্থ করা, মৃতকে জীবিত করা ইত্যাদি মু‘জিজা প্রদর্শন করেছেন। তার দাওয়াতের মূল উদ্দেশ্য ছিল আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস স্থাপন, হালাল ও পবিত্র পথে জীবনযাপন এবং হারাম ও অনৈতিকতা থেকে মানুষকে সতর্ক করা।

নবী ঈসা (আ.)-এর শিক্ষার কেন্দ্রে ছিল পবিত্রতা—দেহ, আত্মা ও ভোগ্যবস্তুর। কোরআনে বলা হয়েছে, হে মানুষ, পৃথিবীতে যা কিছু হালাল ও পবিত্র রয়েছে তা থেকে আহার করো এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। মুসলমানদের জন্য হালাল জীবনধারা শুধুমাত্র খাবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; সততা, নৈতিক উপার্জন ও নৈতিক ব্যবসায়ও এর অন্তর্ভুক্ত।

আধুনিক সময়ে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় হালাল জীবনযাপন কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হলেও নবী ঈসা (আ.) ও নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর শিক্ষা মুসলমানদের দিকনির্দেশনা এবং আত্মিক শক্তি জোগায়। হালাল সার্টিফিকেশন অনুসরণ, নৈতিকভাবে উৎপাদিত পণ্য বেছে নেওয়া এবং দুনিয়ার লোভের চেয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া তাদের আত্মিক সুস্থতা নিশ্চিত করে।

নবী ঈসা (আ.)-এর জীবন আজও মুসলমানদের জন্য পবিত্রতা, সত্যনিষ্ঠা এবং আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের জীবন্ত উদাহরণ। কোরআনে উল্লেখ আছে, “নিশ্চয়ই আল্লাহ আমার প্রতিপালক এবং তোমাদেরও প্রতিপালক। তাই তারই ইবাদত করো।” (সুরা আল-ইমরান, আয়াত: ৫১)


আরএস

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!