চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে শুক্রবার, ২০ মার্চ।
রোজার সময় ভৌগোলিক অবস্থানের ওপর নির্ভর করে। বিষুবরেখার কাছাকাছি দেশগুলোতে দিন-রাতের দৈর্ঘ্য প্রায় একই থাকে, কিন্তু উত্তর বা দক্ষিণে যত দূরে যাওয়া যায়, ঋতুভেদে দিনের দৈর্ঘ্যের পার্থক্য তত বেশি।
২০২৬ সালে রমজান বসন্ত বিষুবের আগেই শুরু হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা-তে মাসের শুরুতে দিনের দৈর্ঘ্য ছোট থাকবে, শেষের দিকে ধীরে ধীরে বড় হবে।
মিসর (কায়রো): রোজার সময় শুরুতে প্রায় ১২ ঘণ্টা ৪০ মিনিট, মাসের শেষে প্রায় ১৩ ঘণ্টা।
সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, ওমান: শহরভেদে সামান্য তারতম্য থাকলেও সাধারণত ১২–১৩ ঘণ্টা।
লেবান্ট অঞ্চল ও ইরাক: প্রায় একই ধারা।
উত্তর আফ্রিকা (মরক্কো, আলজেরিয়া, তিউনিস): সূর্যাস্ত ও দ্রাঘিমার কারণে সামান্য পার্থক্য, তবে মোটামুটি ১২–১৩ ঘণ্টা।
যুক্তরাষ্ট্র (নিউইয়র্ক): শুরুতে ১২.৫ ঘণ্টা, মার্চের শুরুতে ১৩ ঘণ্টা বা সামান্য বেশি।
যুক্তরাজ্য, জার্মানি, স্ক্যান্ডিনেভিয়া: উচ্চ অক্ষাংশের কারণে দিন দীর্ঘ, তবে ২০২৬ সালে অতিরিক্ত চরম নয়।
উত্তর রাশিয়া, গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড: অতীতে ১৬ ঘণ্টার বেশি রোজা, আবার কখনো খুব কম। এমন এলাকায় মুসলমানরা নিকটবর্তী মাঝারি অঞ্চলের সময় বা মক্কার সময় অনুসরণ করেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২৬ সালের রমজান বিশ্বের অধিকাংশ মুসলমানের জন্য তুলনামূলক ভারসাম্যপূর্ণ হবে। রোজার সময় ও সহনীয় আবহাওয়ার কারণে ইবাদত ও বন্দেগি সহজ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
সূত্র: গালফ নিউজ
No comments yet. Be the first to comment!