এক সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে। বেড়েছে সোনালি ও লেয়ার মুরগির দামও। তবে মাছ–মাংসের বেশির ভাগেই বড় ধরনের পরিবর্তন না এলেও মাঝারি আকারের ইলিশ কেজি ১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
আজ শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) নিউমার্কেটের বনলতা কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বিক্রেতারা জানান, বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৯০ টাকা। গত সপ্তাহে এটি ছিল ১৭০ টাকা। সোনালি মুরগি ৩০০–৩৩০ টাকা, দেশি মুরগি ৫৫০–৬৫০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি কেজিপ্রতি ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দাম বাড়ার কারণ সম্পর্কে বিক্রেতাদের দাবি, খামার পর্যায়ে ফিডসহ খরচ বেড়ে যাওয়ায় পাইকারি বাজারেই দাম চড়া। ব্রয়লার বিক্রেতা আজাদ মিয়া বলেন, ‘গত এক সপ্তাহে ফিডের দাম অনেক বেড়েছে। খামারের অন্যান্য খরচও বাড়ছে। পাইকারিতে দাম বাড়ায় আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’
আরেক বিক্রেতা হাসান উদ্দিন বলেন, ‘সোনালি ও দেশি মুরগি দামি হওয়ায় মানুষ ব্রয়লার কিনতে আসে। এখন সেটার দামও একটু বেড়েছে। সরবরাহ বাড়লে আবার দাম কমতে পারে।’ বাজারে ইলিশের সরবরাহ বেড়েছে, দাম এখনও চড়া মাছের বাজারে নজর কাড়ছে ইলিশ। মাঝারি আকারের ইলিশ কেজিপ্রতি ১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় ইলিশের কেজি ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত। মাছ বিক্রেতা ইব্রাহিম আলী বলেন, ‘ইলিশের সরবরাহ আগের চেয়ে ভালো। কিন্তু জ্বালানি ও পরিবহন খরচ বেশি হওয়ায় দাম কমানো যাচ্ছে না।’ অন্যান্য মাছের দামও তুলনামূলক বেশি রয়েছে। বাজারে রুই, কাতল ও মৃগেল আকারভেদে ৩০০–৭৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। কমদামি মাছ হিসেবে পরিচিত পাঙ্গাস ও তেলাপিয়া এখন ১৯০–২৫০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না।
এ ছাড়া—
মাগুর: ৫০০ টাকা
চাষের কৈ: ২০০–২৫০ টাকা
সিলকার্প: ২৫০–৩০০ টাকা
বোয়াল: ৫০০–৭০০ টাকা
কালিবাউশ: ৪৫০ টাকা
আইড়: ৬০০ টাকা
ছোট মাছে—
কাঁচকি: ৪৫০ টাকা
মলা: ৩০০ টাকা
পাবদা: ৩০০–৬০০ টাকা
গলদা চিংড়ি: ৬৫০–১০০০ টাকা কেজি
আরএস
No comments yet. Be the first to comment!