দেশে ডলারের কোনো সংকট নেই এবং আসন্ন রমজানে পণ্য আমদানিতেও কোনো ধরনের শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। আজ শনিবার ঢাকার একটি হোটেলে চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
গভর্নর বলেন, ‘আমাদের এক্সটারনাল সেক্টরটা স্টেবিলাইজ হয়েছে। ব্যাংকিং খাতে ডলারের কোনো অভাব নেই। আপনারা যদি টাকা নিয়ে আসেন, যেকোনো পরিমাণ ডলার কিনতে পারবেন।’ তিনি জানান, রমজানে ব্যবহৃত পণ্যের আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) ইতিমধ্যে খুলে ফেলা হয়েছে। গত বছরের মতো এবারও পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রা সরবরাহ থাকবে বলে আগাম আশ্বস্ত করেন তিনি। চলতি অর্থবছরে এলসি খোলার পরিমাণ আগের তুলনায় বেড়েছে উল্লেখ করে গভর্নর বলেন, ‘কোনো কোনো ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ, আবার কোনো ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।’
চালের দাম বৃদ্ধিকে মূল্যস্ফীতির জন্য দায়ী করে গভর্নর বলেন, ‘চালের দাম ১৮ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ায় গত মাসে মূল্যস্ফীতি ১ দশমিক ৪ শতাংশ পয়েন্ট বেশি হয়েছে।’ তিনি মনে করেন, নীতিগত ব্যর্থতা এবং আমলাতান্ত্রিক হস্তক্ষেপের কারণে দেশে দাম বাড়ছে। ‘যদি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতেই হবে,’ মন্তব্য করেন গভর্নর। তাঁর ভাষায়, আমদানি সীমিত রাখলে দাম বাড়বে, অন্য দেশে কমলেও বাংলাদেশের বাজারে তার প্রভাব পড়বে না। এ সময় তিনি আরও বলেন, ব্যাংকের আমানতের সুদহার ৬ শতাংশ থেকে বেড়ে এখন ১০ শতাংশে পৌঁছেছে, যা সামনে আরও বাড়ার সম্ভাবনা আছে।
আরএস
No comments yet. Be the first to comment!