চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে মাদার ভেসেল থেকে পণ্য খালাস কার্যক্রমে চরম অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় ৪০ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য, সার ও শিল্পের কাঁচামাল বহনকারী ৮৫টির বেশি জাহাজ সাগরে ভেসে আছে। লাইটার জাহাজের অভাবে পণ্য ঠিক সময়ে খালাস করা যাচ্ছে না এবং প্রতিদিন ব্যবসায়ীরা মাশুল গুনছেন।
শিপ হ্যান্ডলিং ও টার্মিনাল অপারেটররা জানিয়েছেন, সাধারণ সময়ে একটি মাদার ভেসেল থেকে ৭–১০ দিনে পণ্য খালাস হয়। কিন্তু বর্তমানে ২০–৩০ দিন পর্যন্ত জাহাজ বহির্নোঙরে অপেক্ষা করছে। প্রতিটি জাহাজকে দৈনিক গড়ে প্রায় ১৬ লাখ টাকা ড্যামারেজ গুনতে হচ্ছে।
বিএসএইচবিওএ সভাপতি সরওয়ার হোসেন সাগর বলেন, “স্বাভাবিক পণ্য প্রবাহ বজায় রাখতে যেখানে ২০০–৩০০ লাইটারেজ জাহাজ প্রয়োজন, সেখানে মাত্র ৩০–৪০টি জাহাজ পাওয়া যাচ্ছে। খালাস কার্যক্রম প্রায় স্থবির হয়ে গেছে।”
আইভোয়াকের সহ সভাপতি পারভেজ আহমেদ অভিযোগ করেন, অনেক লাইটারেজ জাহাজ পণ্য খালাস না করে বহির্নোঙরে বসে থাকার কারণে চাহিদা অনুযায়ী জাহাজ বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা কুয়াশাকে অজুহাত উল্লেখ করে মূল সমস্যাটি অব্যবস্থাপনা ও জাহাজের অপব্যবহার বলছেন।
অপারেটররা দাবি করছেন, জাহাজের সিরিয়াল প্রথা তুলে দিয়ে উন্মুক্ত ব্যবস্থা চালু করলে খালাস কার্যক্রম দ্রুত স্বাভাবিক হবে।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!