বাংলাদেশের রফতানি খাতকে তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভরশীল না রেখে আরও বৈচিত্র্যময় ও প্রতিযোগিতামূলক করতে কাজ করছে সরকার। এটি জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
তিনি বলেন, “পণ্য বৈচিত্র্যকরণে আমাদের পলিসি সাপোর্ট এবং উদ্যোক্তার প্রয়োজন। উদ্যোক্তাদের হতে হবে কঠোর পরিশ্রমী এবং লক্ষ্য অর্জনে উপযোগী জ্ঞান অর্জন করতে হবে।” (২২ জানুয়ারি) পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারের মাল্টি ফাংশনাল কনভেনশন হলে ‘রোল অব কমপিটিটিভনেস ফর জব প্রজেক্ট অন এক্সপোর্ট ডাইভারসিফিকেশন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, “গত ১৬ বছর আমরা ব্যয়ভিত্তিক পরিকল্পনায় কাটিয়েছি। এখন বিশ্বে জিওপলিটিক্যাল ফ্যাকচারের সঙ্গে নিজ অবস্থান খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য এক্সপোর্ট কমপিটিটিভনেস ফর জবস প্রকল্পের মাধ্যমে বড় সংস্কার ও বিনিয়োগ শুরু হয়েছে।”
উল্লেখ্য, ‘এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জবস (ইসি৪জে) (৩য় সংশোধিত)’ প্রকল্পটি ২০১৭ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটির আওতায় তৈরি পোশাক শিল্পের বাইরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাদুকা, হালকা প্রকৌশল এবং প্লাস্টিক খাতের পণ্য রপ্তানির বাজার সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!