সূচকের ঊর্ধ্বগতির মধ্য দিয়ে দেশের পুঁজিবাজারে লেনদেন শেষ হয়েছে গত সপ্তাহে (১৯–২৩ এপ্রিল)। এ সময় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এর বাজার মূলধন বেড়েছে ১ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা। একই সঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণও।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আলোচিত সপ্তাহে ডিএসইর সব কটি মূল্যসূচকই বেড়েছে। প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৪২ পয়েন্ট। এ ছাড়া ডিএসই-৩০ সূচক ২৫ পয়েন্ট এবং শরিয়াহভিত্তিক ডিএসইএস সূচক বেড়েছে দশমিক ২১ পয়েন্ট।
লেনদেনের পরিমাণেও ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪ হাজার ৫১৪ কোটি ২৩ লাখ টাকা, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৩ হাজার ২৭৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা। সে হিসাবে এক সপ্তাহের ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ১ হাজার ২৪১ কোটি ৭ লাখ টাকা।
প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেনও বেড়েছে। গত সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ৯০২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৮১৮ কোটি ২৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ দৈনিক গড় লেনদেন বেড়েছে ৮৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা বা ১০ দশমিক ৩৩ শতাংশ।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট ৩৯০টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৯৪টির, কমেছে ১৬৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৮টির শেয়ারের দর।
সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮৭ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৬ লাখ ৮৫ হাজার ৬৩১ কোটি টাকা। শতাংশের হিসাবে এই প্রবৃদ্ধি শূন্য দশমিক ২৮।
অন্যদিকে, দেশের অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)-তেও সূচকের ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। সপ্তাহ ব্যবধানে সিএসইর প্রধান সূচক সিএএসপিআই বেড়েছে দশমিক ৪৭ শতাংশ এবং সিএসসিএক্স বেড়েছে দশমিক ৫৭ শতাংশ। ফলে সূচক দুটি দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১৪ হাজার ৮৩২ ও ৯ হাজার ৯৩ পয়েন্টে।
তবে লেনদেনের ক্ষেত্রে সিএসইতে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। আলোচিত সপ্তাহে এই বাজারে মোট লেনদেন হয়েছে ১৪৭ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, যা আগের সপ্তাহে ছিল ২৪৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। সে হিসাবে লেনদেন কমেছে ৯৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ৩১০টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৮টির, কমেছে ১৫১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টির শেয়ারের দর।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!