আন্তর্জাতিক

ফিলিপাইনে ৬.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

আপডেট: জানু ০৭, ২০২৬ : ০৫:১১ এএম
ফিলিপাইনে ৬.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলের দ্বীপগুলোর কাছে শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বুধবার স্থানীয় সময় সকালে দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার এই ভূমিকম্প আঘাত হানে বলে জানিয়েছে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ইউএসজিএস জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। এর কেন্দ্রস্থল ছিল সুরিগাও দেল সুর প্রদেশের হিনাতুয়ান শহরের অন্তর্গত বাকুলিন গ্রাম থেকে প্রায় ৬৮ কিলোমিটার পূর্বে, সাগর এলাকায়।

ফিলিপাইনের ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ সংস্থা ফিভোলকস জানিয়েছে, তাদের হিসাবে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৪ এবং এর গভীরতা ছিল ২৩ কিলোমিটার। সংস্থাটি সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি ও পরাঘাত (আফটারশক) নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে।

ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের আশপাশের এলাকায় দায়িত্বে থাকা পুলিশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

হিনাতুয়ানের স্থানীয় পুলিশপ্রধান জোয়ি মনাতো বলেন, কম্পনটি খুব বেশি বিধ্বংসী ছিল না। তবে ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পর আতঙ্কে অনেক মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন।

ফিভোলকসের পরিচালক তেরেসিতো বাকোলকল ফোনে জানান, বুধবারের এই ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল গত বছরের অক্টোবর মাসে সংঘটিত দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের কেন্দ্র থেকে ১০ কিলোমিটারেরও কম দূরত্বে অবস্থিত। ওই ভূমিকম্পে সাতজন নিহত হয়েছিলেন। তবে এবার সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই বলে তিনি জানান।

ফিভোলকসের ভাষ্য অনুযায়ী, তুলনামূলকভাবে গভীরে সংঘটিত হওয়ায় এই ভূমিকম্প থেকে ধ্বংসাত্মক সুনামি ঢেউ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

উল্লেখ্য, ফিলিপাইন প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থিত হওয়ায় দেশটিতে প্রায়ই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে।

সূত্র: রয়টার্স


আরএস

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!