রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিউবার ওপর জারি করা জ্বালানি নিষেধাজ্ঞা রাশিয়া মানবে না। রুশ প্রেসিডেন্ট কিউবার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে মস্কোর অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগুয়েজ মস্কো সফর করেন। ১৮ ফেব্রুয়ারি ক্রেমলিনে পুতিন–এর সঙ্গে বৈঠকে তিনি কিউবার পরিস্থিতি তুলে ধরেন। পুতিন বলেন, “আমরা এই ধরনের নিষেধাজ্ঞাকে মানি না, দেবোও না। আমাদের অবস্থান প্রকাশ্য, স্পষ্ট এবং দ্ব্যর্থহীন।”
১৯৫৯ সালে কিউবা–তে কমিউনিস্ট বিপ্লবের পর থেকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে দূরত্ব বৃদ্ধি পায় এবং মিত্রতা গড়ে ওঠে সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে গেলেও মস্কোর সঙ্গে হাভানার বন্ধুত্ব অটুট রয়েছে।
২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় সেনা অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো–কে অপহরণ করে এবং দেশটির তেলসম্পদ নিয়ন্ত্রণে আনে। মাদুরো কিউবাকে হ্রাসকৃত মূল্যে তেল সরবরাহ করতেন। অপহরণের পর কিউবায় তেলের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
এরপরই ট্রাম্প জানুয়ারির মাঝামাঝি ঘোষণা দেন, অন্য কোনো দেশ যদি কিউবায় তেল রপ্তানি করে— যুক্তরাষ্ট্র সেই দেশের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করবে।
পুতিন বলেন, “১৯৫৯ সালের পর থেকে কিউবার জনগণ কত কঠিন পরিস্থিতি পার করছে, তা আমরা জানি। শুধু নিজেদের ন্যায্য অধিকার ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য তাদের সংগ্রাম অব্যাহত রয়েছে।”
এদিকে, রুশ দূতাবাসের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, রাশিয়া কিউবার জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় তেল সরবরাহ শুরু করছে। শিগগিরই হাভানায় পৌঁছাবে প্রথম চালান।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!