শীতকালে শরীরের তৃষ্ণার সংকেত কমে যায়। ফলে অনেকেই অজান্তেই কম পানি পান করেন। তাছাড়া শুষ্ক বাতাস, ঘরের গরম এবং কম তরল গ্রহণের কারণে ডিহাইড্রেশনও হতে পারে। পানি শরীরের জন্য অত্যন্ত জরুরি। এটি হজম, রক্ত সঞ্চালন, জয়েন্টের স্নায়ুর তৈলাক্তকরণ, ত্বকের স্বাস্থ্য এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
সাধারণত সুস্থ মানুষের জন্য শীতকালে ঠান্ডা পানি পান কোনো বড় সমস্যা সৃষ্টি করে না। মাঝারি ঠান্ডা পানি শরীর সহজেই সামঞ্জস্য করতে পারে।
তবে কিছু ক্ষেত্রে ঠান্ডা পানি সাময়িক অস্বস্তি বয়ে আনতে পারে—গলা জ্বালা, কাশি বা বুকে টান হতে পারে। বিশেষ করে যাদের সহজে সর্দি হয়, সাইনাসের সমস্যা আছে বা গলা সংবেদনশীল তাদের জন্য ঠান্ডা পানি অস্বস্তির কারণ হতে পারে।
ঠান্ডা পানি শরীরকে প্রথমে এটি গরম করার জন্য অতিরিক্ত শক্তি দিতে হয়, ফলে হজম ধীর হতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে পেটফাঁপা, গ্যাস বা অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। ঘন ঘন বরফ-ঠান্ডা পানি শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা কমিয়ে দিতে পারে, যা বয়স্ক ব্যক্তি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এছাড়া ঠান্ডা পানির কারণে যাঁরা জয়েন্টে ব্যথা, আর্থ্রাইটিস বা শ্বাসকষ্টে ভুগছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে ব্যথা বা অস্বস্তি বাড়তে পারে।
বয়স্ক ব্যক্তি
যাদের সর্দি, সাইনাস বা গলা ব্যথা আছে
বাত বা জয়েন্টের ব্যথা আছে
হাঁপানি ও অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের রোগী
সংবেদনশীল হজমশক্তি আছে
এই ব্যক্তিদের জন্য ঘরের তাপমাত্রার পানি বা হালকা গরম পানি বেশি উপকারী। এটি অস্বস্তি কমাবে এবং শরীরকে সুস্থ রাখতেও সহায়ক হবে।
আরএস
No comments yet. Be the first to comment!