আপেল একটি স্বাস্থ্যকর ফল, যা ফাইবার, ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ।
ক্যালরি: ৯৫
কার্বোহাইড্রেট: ২৫ গ্রাম
ফাইবার: ৪.৫ গ্রাম
ভিটামিন সি: দৈনিক চাহিদার ৯%
তামা: দৈনিক চাহিদার ৫%
পটাসিয়াম: দৈনিক চাহিদার ৪%
ভিটামিন কে: দৈনিক চাহিদার ৩%
হজমে সহায়ক: আপেলের পেকটিন ফাইবার অন্ত্রের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে এবং উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণ: ফাইবার গ্লুকোজ শোষণ ধীর করে, পেট দীর্ঘসময় ভরে রাখে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোষকে ক্ষতি ও প্রদাহ থেকে রক্ষা করে।
হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো: খোসা সহ প্রতিদিন ১০০–১৫০ গ্রাম আপেল খেলে হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপের সম্ভাবনা কম থাকে।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: আপেলে থাকা পলিফেনল বিশেষ করে কোয়ারসেটিন শরীরে শর্করার নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণ: ফাইবার ও পানির উচ্চতা দীর্ঘসময় পেট ভরে রাখে, ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে।
সংক্ষেপে, প্রতিদিন একটি আপেল খাওয়াকে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস হিসেবে ধরা যায়। এটি সরাসরি রোগ প্রতিরোধ করতে না পারলেও হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, হজম ও ওজন নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
আরএস
No comments yet. Be the first to comment!