লাইফস্টাইল

নতুন বছরে শরীরে শক্তি বজায় রাখার জন্য ৫টি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস

আপডেট: জানু ০৭, ২০২৬ : ০৫:৩৮ এএম
নতুন বছরে শরীরে শক্তি বজায় রাখার জন্য ৫টি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস

নতুন বছরের শুরুতে অনেকেই বড় লক্ষ্য ঠিক করেন—স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, বেশি ব্যায়াম করা, ভালো ঘুমানো। তবে সারাদিন সতেজ ও ক্লান্তিহীন থাকার জন্য কীভাবে দৈনন্দিন জীবনধারায় পরিবর্তন আনা যায়, তা অনেকেই খুব কমই ভেবে থাকেন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত কফি বা চিনির মতো দ্রুত সমাধানের বদলে ধারাবাহিকতা, পুষ্টি ও সময় নির্ধারণই শক্তি বজায় রাখার মূল চাবিকাঠি। দৈনন্দিন শক্তি বৃদ্ধির জন্য ৫টি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস হলো—

১. অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার কমিয়ে আনুন
প্যাকেটজাত রুটি, প্রোটিন বার, স্বাদযুক্ত দই, রেডি স্মুদি বা মিষ্টি কফির মতো খাবার স্থিতিশীল শক্তি দেয় না। এ ধরনের খাবারে ফাইবার কম এবং পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট বেশি থাকে। তাই প্রক্রিয়াজাত খাবারের পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নেওয়া উচিত।

২. উচ্চ প্রোটিনযুক্ত নাস্তাকে অগ্রাধিকার দিন
ডিম, টক দই, বিনস বা টোফু স্ক্র্যাম্বল মতো প্রোটিনসমৃদ্ধ নাস্তা দীর্ঘ সময়ের জন্য শক্তি ও ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। সাধারণ জ্যাম, সিরিয়াল বা পেস্ট্রির তুলনায় এগুলো বেশি কার্যকর।

৩. সবুজ শাক-সবজি খান
পাতাযুক্ত সবুজ শাক-সবজি ফাইবার, ফোলেট, ম্যাগনেসিয়াম ও প্রদাহ-বিরোধী যৌগে সমৃদ্ধ। প্রতিদিন একবার হলেও শাক-সবজি খাওয়ার অভ্যাস মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য রক্ষা ও দীর্ঘমেয়াদী শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক।

৪. প্রতি খাবারে তিন ভাগ ফল বা সবজির লক্ষ্য রাখুন
ফল ও সবজির মাত্রা বাড়ালে দৈনন্দিন শক্তি বজায় থাকে। ‘কী বাদ দেব’ না ভেবে ‘আরো কী যোগ করা যায়’ সেই দিকেই মনোযোগ দিন।

৫. আগেভাগে রাতের খাবার খান
বিকেল ৫–৬টার মধ্যে রাতের খাবার শেষ করার চেষ্টা করুন। দেরিতে খাবার খেলে হজম ও ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে, যা সারাদিন ক্লান্তি ও কম শক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

বিশেষজ্ঞরা মনে করান, এই ছোটখাট পরিবর্তনগুলো নিয়মিত অনুসরণ করলে নতুন বছরে শরীর ও মনের শক্তি ধরে রাখা সহজ হবে।


আরএস

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!