জীবনধারা

মাগুরায় বিলুপ্তির পথে শিমুল গাছ, সংরক্ষণের দাবি স্থানীয়দের

আপডেট: মার্চ ০৯, ২০২৬ : ০৬:৫৬ এএম
মাগুরায় বিলুপ্তির পথে শিমুল গাছ, সংরক্ষণের দাবি স্থানীয়দের

মাগুরার বিভিন্ন এলাকায় এক সময় প্রচুর দেখা যাওয়া শিমুল গাছ এখন ধীরে ধীরে বিলুপ্তির পথে। বসন্ত এলেই লাল ফুলে সাজা এই গাছের সুন্দর দৃশ্য এখন কম চোখে পড়ে, ফলে স্থানীয়রা শিমুল গাছ সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন।

শিমুল গাছের বৈজ্ঞানিক নাম বোম্ব্যাক্স সাইবা (Bombax ceiba)। এটি বোম্বাকাসি পরিবারের উদ্ভিদ এবং একটি গাছ প্রায় ৮০-১০০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। শীতের শেষে গাছের পাতা ঝরে যায়, বসন্তে ফুটে ওঠে আগুনরঙা লাল ফুল, যা প্রকৃতিকে মুগ্ধকর করে। ফুল থেকে ফল হয়, চৈত্র মাসে ফল পুষ্ট হয় এবং বৈশাখে বীজ ছড়িয়ে নতুন গাছ জন্মায়।

স্থানীয়রা জানান, শিমুল গাছের তুলা, ছাল, পাতা, ফুল ও শিকড়ের নানা ব্যবহার রয়েছে। তুলার মান অত্যন্ত উন্নত হওয়ায় শিমুল গাছের সংখ্যা কমে যাওয়ায় তুলার দামও বেড়ে গেছে।

শালিখা উপজেলা বন কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, বিলুপ্তির পথে থাকা শিমুল, দেবদারু, সোনালী ও বটসহ অন্যান্য গাছগুলো শালিখা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রোপণ করা হবে। পাশাপাশি বুনাগাতী ইউনিয়নকে বৃক্ষে আচ্ছাদিত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহলও দাবি করছেন, প্রতি বছর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় গ্রামাঞ্চলের মোড়গুলোতে অন্তত একটি করে শিমুল গাছ রোপণ করা প্রয়োজন, যাতে নতুন প্রজন্ম এই গাছ ও এর উপকারিতা সম্পর্কে জানতে পারে।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!