জাতীয়

জাতীয় নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের

আপডেট: নভে ২০, ২০২৫ : ১২:৪৩ পিএম ২২৯
জাতীয় নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের
এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদার, নিরপেক্ষ এবং কার্যকর ভূমিকার প্রতি গভীর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন। শনিবার সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট লেফটেন্যান্ট সাইফুল্লাহ খান সাইফ (অব.) প্রেরিত এক বিবৃতিতে এই অবস্থান জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশসহ উপমহাদেশের বিভিন্ন দেশে নির্বাচনী সহিংসতা, পেশিশক্তির ব্যবহার, কেন্দ্র দখল ও প্রশাসনিক পক্ষপাত দীর্ঘদিনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিদ্যমান। এই পরিস্থিতিতে সশস্ত্র বাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার পূর্ণাঙ্গ, ন্যায়সংগত ও জিরো-টলারেন্স প্রয়োগ নির্বাচনী পরিবেশকে নিরাপদ ও আস্থাযোগ্য করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন আশা প্রকাশ করে জানায়, অতীতের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে এবার সশস্ত্র বাহিনী জাতিকে উপমহাদেশের অন্যতম সেরা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে সক্ষম হবে। সংগঠনটি মনে করে, সশস্ত্র বাহিনীকে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ছাড়াই সম্পূর্ণ স্বাধীনতা প্রদান করতে হবে, যাতে তারা নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে পারে। এ বিষয়ে সেনাপ্রধানের দৃঢ় অবস্থানও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়।

নির্বাচনী দিনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে প্রযুক্তিনির্ভর তদারকির গুরুত্বও তুলে ধরে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন। তারা জানান, ড্রোন মনিটরিং, বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা, লাইভ ভোট সেন্টার পর্যবেক্ষণ ও নিরাপত্তা ডেটা অ্যানালাইসিস ব্যবহার করলে অনিয়ম কমবে এবং ভোটারদের আস্থা বৃদ্ধি পাবে।

এছাড়া সশস্ত্র বাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ, বিজিবি, আনসার এবং বেসামরিক প্রশাসনের মধ্যে সমন্বিত কমান্ড কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানায় সংগঠনটি। তাদের মতে, এমন কাঠামো থাকলে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা, সম্ভাব্য সংঘাত প্রতিরোধ এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করা সহজ হবে।

এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন আরও বলেছে, উপমহাদেশে বহু ক্ষেত্রে দেখা গেছে—নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতাই ভোটের গ্রহণযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করে। তাই নির্বাচন পূর্ব ও পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সশস্ত্র বাহিনীর জিরো-টলারেন্স নীতি স্থিতিশীলতা রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখবে।

সংগঠনটির মতে, এসব সমন্বিত পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে আন্তর্জাতিক মানের একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হবে, যা ভোটারদের নিরাপত্তা, রাজনৈতিক দলের আস্থা এবং জাতীয় স্থিতিশীলতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

Tags:
জাতীয় সংসদ এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!