জাতীয়

নির্ধারিত সময়েই শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই: এনসিটিবি

আপডেট: নভে ২১, ২০২৫ : ০৫:১৬ এএম ১৫
নির্ধারিত সময়েই শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই: এনসিটিবি

২০২৬ শিক্ষাবর্ষের শুরুতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্মত নতুন পাঠ্যপুস্তক পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। বই মুদ্রণ, বাঁধাই ও বিতরণে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি ধাপে তদারকি নিশ্চিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় নিয়মিত মনিটরিংও চলছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এনসিটিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস. এম. আসাদুজ্জামান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, এনসিটিবির নিজস্ব তদারকির পাশাপাশি নিরপেক্ষ ইন্সপেকশন ফার্ম (পিডিআই) এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বিশেষ মনিটরিং টিম মাঠপর্যায়ে প্রতিদিন নজরদারিতে রয়েছে। সম্প্রতি শিক্ষা উপদেষ্টা মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে মালিকেরা মুদ্রণ–বাঁধাইয়ে থাকা কিছু কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন এবং তা দ্রুত সমাধানের অনুরোধ জানান।

এস. এম. আসাদুজ্জামান জানান, মুদ্রণ মালিকদের উত্থাপিত সমস্যা সমাধানে গত ১৮ নভেম্বর শিক্ষা উপদেষ্টা দেশের বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের এক হাজারের বেশি কর্মকর্তার সঙ্গে ভার্চুয়ালি সভা করেন। বই গ্রহণ, পরিবহন, সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা–সংক্রান্ত বিষয়ে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।

আজ শুক্রবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এসব অগ্রগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের পাশাপাশি এনসিটিবি, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের মালিকদের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সভায় মুদ্রণ মালিকেরা নিরবচ্ছিন্ন বৈদ্যুতিক সরবরাহ নিশ্চিত করা, বই পরিবহন ও সংরক্ষণে নিরাপত্তা বাড়ানো, স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা নেওয়া এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও মাঠপর্যায়ে বই গ্রহণের ব্যবস্থা রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাঠ্যপুস্তক সংরক্ষণের জন্য অতিরিক্ত জায়গা তৈরির প্রয়োজনীয়তাও বিবেচনায় আনা হয়েছে। এস. এম. আসাদুজ্জামান বলেন, এসব পদক্ষেপ বই মুদ্রণ–বাঁধাইয়ের কাজকে আরও গতিশীল করবে। ফলে নির্ধারিত সময়েই দেশের সব শিক্ষার্থীর হাতে মানসম্মত নতুন বই পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।


আরএস

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!