জাতীয়

খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিতে জার্মানি থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স আসছে শনিবার

আপডেট: ডিসে ০৫, ২০২৫ : ০৪:২৯ পিএম ১০
খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিতে জার্মানি থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স আসছে শনিবার

বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে জার্মানি থেকে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় আসছে। কাতার সরকারের ব্যবস্থাপনায় পাঠানো এই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি শনিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

ঢাকায় কাতার দূতাবাসের জনসংযোগ কর্মকর্তা আসাদুর রহমান আসাদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কাতার সরকারের উদ্যোগে জার্মানি থেকে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হয়েছে, যা শনিবার বিকেলে ঢাকায় নামবে। কূটনৈতিক সূত্র জানায়, জার্মান প্রাইভেট এয়ার অ্যাম্বুলেন্স কোম্পানি এফএআই রেন্ট-এ-জেট জিএমবিএইচ–এর সিএল–৬০ (বোম্বার্ডিয়ার চ্যালেঞ্জার ৬০০ সিরিজ) জেট খালেদা জিয়াকে নিয়ে ঢাকা থেকে লন্ডনের উদ্দেশে রওনা হবে। বিমানটি তিবলিসি (জর্জিয়া) হয়ে সরাসরি লন্ডনে যাবে। শনিবার বিকেলে অথবা রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি খালেদা জিয়াকে নিয়ে উড্ডয়ন করতে পারে।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, কাতার রাজপরিবারের ব্যবহৃত আগের এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটিতে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ায় কাতারের আমির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিকল্প আরেকটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠাচ্ছেন। তাঁর দাবি, এখন যে অ্যাম্বুলেন্সটি আসছে সেটিও কাতারের পক্ষ থেকেই পাঠানো হলেও এটি জার্মান কোম্পানির তৈরি। “কাতার জার্মানি থেকে অ্যাম্বুলেন্স পাঠাচ্ছে না; কাতারের অ্যাম্বুলেন্সটি জার্মান বানানো,” বলেন তিনি।

গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কাতারের নির্ধারিত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকায় পৌঁছানোর কথা থাকলেও কারিগরি ত্রুটির কারণে সেটি আসেনি। এ কারণে শুক্রবার ভোরে খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনাও স্থগিত হয়। আজ সকালে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, এয়ার অ্যাম্বুলেন্স শুক্রবার আসছে না। তিনি বলেন, “সব ঠিক থাকলে শনিবার এসে পৌঁছাতে পারে। ম্যাডামের শারীরিক অবস্থা অনুমতি দিলে এবং মেডিকেল বোর্ড সিদ্ধান্ত দিলে, ইনশাআল্লাহ ৭ তারিখ (রোববার) ফ্লাই করবেন।” ২৩ নভেম্বর রাতে শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ার পর গত রোববার তাঁর অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে এসডিইউ থেকে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

 

আরএস

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!