জাতীয়

খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করতে নেতাকর্মীদের ঢল

আপডেট: জানু ০২, ২০২৬ : ০৩:৫৮ পিএম
খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করতে নেতাকর্মীদের ঢল

সদ্য প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করতে জিয়া উদ্যানে নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে।  আজ শুক্রবার সকাল থেকেই বিএনপি ও এর বিভিন্ন সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা দলে দলে জিয়া উদ্যানে আসছেন।

বিভিন্ন জেলা ও মহানগর থেকে ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে আসা নেতাকর্মীরা ছোট ছোট মিছিল নিয়ে উদ্যানে প্রবেশ করেন। তাঁরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। এর আগে সকালে খালেদা জিয়ার নাতনি ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান, ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শর্মিলা রহমানসহ পরিবারের নিকটাত্মীয়রা কবর জিয়ারত করেন। এ সময় কিছু সময়ের জন্য জনসাধারণের প্রবেশ বন্ধ রাখা হলেও পরে তা উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

ধানমন্ডি থেকে আসা মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘আমার নেত্রীর কবর জিয়ারত করতে এসেছি। আল্লাহর কাছে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করেছি। আল্লাহ তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন।’ গেন্ডারিয়া থেকে পরিবার নিয়ে আসা মুজিবুল হক বলেন, ‘খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করতেই আজ এখানে এসেছি।’ জাতীয় সংসদ ভবনের উত্তর পাশের সড়কে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বাস ও মাইক্রোবাসে নেতাকর্মীদের ভিড় দেখা যায়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জিয়া উদ্যান এলাকায় পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ থেকে আসা শাফিউর রহমান সাফি বলেন, ‘নেত্রীর জানাজা ও দাফনের দিন অফিস থাকায় আসতে পারিনি। গতকালও চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু সম্ভব হয়নি। আজ ছুটি থাকায় রাতে রওনা হয়ে সকালে ঢাকায় পৌঁছাই। নেত্রীর কবর জিয়ারত করে দোয়া করেছি।’ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শুক্রবার দেশজুড়ে তৃতীয় ও শেষ দিনের মতো রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে দেশের সব মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাসহ ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোতে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। জুমার নামাজের পর সব মসজিদে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।

গত ৩১ ডিসেম্বর পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়াকে তাঁর স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হয়। দাফনের আগে সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে মরহুমার প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়। তাঁর বড় ছেলে তারেক রহমান স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে দাফনকার্যে অংশ নেন।


আরএস

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!