জাতীয়

নীলফামারীর বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী হাসপাতাল গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাকেন্দ্রে পরিণত হবে: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট: জানু ২৬, ২০২৬ : ০৬:১৫ এএম
নীলফামারীর বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী হাসপাতাল গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাকেন্দ্রে পরিণত হবে: প্রধান উপদেষ্টা

উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য আধুনিক ও বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নীলফামারীতে এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণের প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)-এর সভায়।

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুস বলেছেন, “এই হাসপাতাল শুধু একটি অবকাঠামো নয়, এটি দেশের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে একটি কৌশলগত বিনিয়োগ। এর মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের মানুষ নিজ এলাকাতেই উন্নত চিকিৎসা সেবা পাবে।”

তিনি আরও বলেন, “রংপুর ও ঢাকা-কেন্দ্রিক হাসপাতালগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ কমাতে স্বাস্থ্যসেবার বিকেন্দ্রীকরণ জরুরি। নীলফামারীর এই হাসপাতাল সেই লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া নেপাল, ভূটানসহ পার্শ্ববর্তী দেশের রোগীরাও এখানে চিকিৎসা সেবা পাবেন।”

প্রকল্পটি জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৯ সময়কালে বাস্তবায়িত হবে। মোট ব্যয় ২,৪৫৯.৩৫ কোটি টাকা, যার মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের অংশ ১৭৯.২৭ কোটি টাকা এবং বাকি চীনা অনুদানসহ সহযোগিতা।

হাসপাতালে ১০ তলা আধুনিক ভবন, ডরমেটরি, আবাসিক ভবন, সহায়ক অবকাঠামো ও অত্যাধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি থাকবে। নেফ্রোলজি, কার্ডিওলজি, অনকোলজি, নিউরোলজি সহ বিশেষায়িত বিভাগ, জরুরি বিভাগ, আইসিইউ, সিসিইউ, এইচডিইউ, উন্নত ডায়াগনস্টিক সুবিধা ও অপারেশন থিয়েটার থাকবে।

প্রকল্পের মাধ্যমে নীলফামারী ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের স্বাস্থ্যখাত একটি কৌশলগত ও আঞ্চলিক চিকিৎসাকেন্দ্রে পরিণত হবে।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!