সারাদেশে আজ মঙ্গলবার যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে। এ উপলক্ষে দেশজুড়ে মসজিদে-মসজিদে নফল নামাজ, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, ওয়াজ মাহফিল ও বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।
হিজরি সনের শাবান মাসের ১৪ ও ১৫ তারিখের মধ্যবর্তী রাতকে মুসলমানরা শবে বরাত বা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে পালন করেন। এ রাতটি ‘লাইলাতুল বরাত’ নামেও পরিচিত। পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস এক বাণী দিয়েছেন। তিনি শবে বরাতকে আল্লাহর রহমত লাভের এক অনন্য সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করে দেশ ও জাতির কল্যাণে প্রার্থনা এবং মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশসহ বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।
প্রধান উপদেষ্টা তাঁর বাণীতে বলেন, মহিমান্বিত এই রাতে ইবাদত–বন্দেগি, দান–সদকা, আত্মসমালোচনা ও তওবার মাধ্যমে মহান আল্লাহর নৈকট্য ও ক্ষমা লাভ করা সম্ভব। গুনাহ থেকে পরিশুদ্ধ হয়ে সঠিক পথে জীবন পরিচালনার প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আল্লাহ তায়ালার অসীম অনুগ্রহ, বরকত ও মাগফেরাত অর্জন করা যায়।
শবে বরাত উপলক্ষে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
এই রাতে বাসাবাড়ির পাশাপাশি মসজিদে-মসজিদে নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, জিকির, ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, হামদ ও না’ত, ওয়াজ এবং বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
এ ছাড়া পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, ইসলামিক মিশন কেন্দ্র এবং ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমিতে আলোচনা সভা, ওয়াজ ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ও রেডিও স্টেশন এই উপলক্ষে বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠান সম্প্রচার করবে।
এ রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, জিকির ও দোয়ার মাধ্যমে মহান আল্লাহর রহমত, ক্ষমা ও নৈকট্য লাভের আশায় ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকবেন। একই সঙ্গে মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হবে।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!