ভোটের ছুটির কারণে রাজধানীর বাজারে সবজি, মাছ ও মুরগিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ কম ছিল। নির্বাচনে যানবাহন চলাচলে কিছুটা সীমাবদ্ধতা থাকলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বহনকারী যানবাহন চলতে থাকায় শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। তবে পাইকারি বাজারে দাম গত দুই-তিন দিনের মতোই বেশি রয়েছে।
রাজধানীর কাঁচাবাজারে দেখা গেছে, ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি স্বাভাবিক সময়ের এক তৃতীয়াংশে নেমেছে। মুগদা-মানিকনগর বাজারে শিম, মুলা ও বেগুন ৪০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ৩০-৪০ টাকায় পাওয়া যেত। পেঁপে ও মিষ্টিকুমড়ার দাম ৪০-৫০ টাকা কেজি, ফুলকপি ৫০-৬০ টাকা, বাঁধাকপি ৩০-৪০ টাকা এবং লাউ ৮০-৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
লেবু প্রতি হালি ৮০-১০০ টাকা, মরিচ ১৮০-২০০ টাকা, শসা ৮০-১০০ টাকা এবং গাজর ও টমেটো ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে চাহিদা বেশি হওয়ায় কিছু সবজির দাম ১০-২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। পেঁয়াজ ৬০ টাকা কেজি, আলু ২৫-৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারেও দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। রুই ২৮০-৩২০, কাতলা ৩০০-৩৫০, পাঙাশ ১৮০-২০০, তেলাপিয়া ১৬০-২০০, চিংড়ি ৬৫০-৭০০, কই ২০০-২৫০, দেশি শিং ৬৫০-৭৫০, শোল ৬৫০, সুরমা ৩৫০ এবং পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্রয়লার মুরগি ১৮০-১৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, সোনালি মুরগি ৩২০-৩৪০ টাকা। ডিমের দাম ১২০ টাকা ডজন এবং গরুর মাংস ৮০০-৮৫০, খাসির মাংস ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও মূলত ভোটের ছুটির কারণে ক্রেতা কম থাকায় দাম স্থিতিশীল হয়নি, ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে না।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!