জাতীয়

জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাই ছিল একুশের মূল চেতনা: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট: ফেব ২১, ২০২৬ : ০৫:৪৬ এএম
জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাই ছিল একুশের মূল চেতনা: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাই ছিল একুশের মূল চেতনা। এই চেতনাকে ধারণ করে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পথ পেরিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং তা সুসংহত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

শুক্রবার মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী মাতৃভাষা বাংলাসহ বিশ্বের সব ভাষাভাষী মানুষকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

একুশে ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার লড়াই শুধু ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠাই করেনি; বরং বাঙালির স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও সাংস্কৃতিক চেতনার ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করেছে। একুশের রক্তাক্ত পথ ধরেই মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়।

বাংলা ভাষাকে আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহন হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাতৃভাষার প্রতি বাঙালির ত্যাগ ও ভালোবাসার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মিলেছে যখন ইউনেসকো ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে। একুশের চেতনা আজ বিশ্বজুড়ে ভাষার মর্যাদা রক্ষার আন্দোলনে অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ভাষা শহীদ এবং স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সব শহীদের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও মানবিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।

দেশে বিদ্যমান ভাষাগত বৈচিত্র্য সংরক্ষণ, নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষা এবং সর্বস্তরে বাংলা ভাষার শুদ্ধ ব্যবহার ও চর্চা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

সব ভাষা শহীদের মাগফিরাত কামনা করে তিনি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!