জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক বাজারে বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান, সামগ্রিক আমদানি হ্রাস সত্ত্বেও বৃদ্ধি

আপডেট: ফেব ২৭, ২০২৬ : ০৫:১২ এএম
যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক বাজারে বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান, সামগ্রিক আমদানি হ্রাস সত্ত্বেও বৃদ্ধি

২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানির বাজারে সামগ্রিক মন্দার মধ্যেও বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যে এই সাফল্য দেশের অবস্থানকে বিশ্বের বৃহত্তম ভোক্তা বাজারে আরও দৃঢ় করেছে।

অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেল (ওটেক্সা)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি-ডিসেম্বর সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের মোট পোশাক আমদানির পরিমাণ ছিল ৭৭.৮৮ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় ১.৭৪ শতাংশ কম। স্কয়ার মিটার ইকুইভ্যালেন্টে আমদানি ৩.৭০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, তবে গড় ইউনিট মূল্য ২.০৩ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।

এসব চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮.২০ বিলিয়ন ডলারে, যা ২০২৪ সালের তুলনায় ১১.৭১ শতাংশ বৃদ্ধি। শুধু ডিসেম্বর মাসেই বাংলাদেশের আমদানি ৩.৩৩ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৫ সালে বাংলাদেশের মার্কিন বাজারে অংশীদারিত্ব দাঁড়িয়েছে ১০.৫৩ শতাংশ।

অন্য প্রধান সরবরাহকারীদের মধ্যে ভিয়েতনামের অংশ ২১.৫০ শতাংশ, চীনের ১৩.৬৬ শতাংশ, ভারতের ৬.৩৫ শতাংশ, কম্বোডিয়ার ৬.২০ শতাংশ এবং ইন্দোনেশিয়ার ৫.৯৮ শতাংশ। চীনের বাজারে অবস্থান ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে, আর বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম একই ধারা বজায় রেখেছে।

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, “পারস্পরিক শুল্ক এবং চাহিদা হ্রাসের অনিশ্চয়তার মধ্যেও বাংলাদেশ ভালো করেছে। মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের ধারাবাহিক বৃদ্ধি ক্রেতাদের আস্থা এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতাকেই প্রতিফলিত করে।”

এই ফলাফল বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পোশাক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক এবং শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করেছে।

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!