জাতীয়

‘সংঘাত কারও জন্য মঙ্গলজনক নয়’, পাক–আফগান উত্তেজনা নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট: ফেব ২৮, ২০২৬ : ০৪:৪২ এএম
‘সংঘাত কারও জন্য মঙ্গলজনক নয়’, পাক–আফগান উত্তেজনা নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, কোনো যুদ্ধই কারও জন্য মঙ্গলজনক নয়। বাংলাদেশ পরিস্থিতি সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে এবং বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।

জেদ্দায় ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শেষে শুক্রবার রাতে ঢাকায় ফিরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা আমাদের নিজস্ব উপায়ে বন্ধু দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করছি।”

সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান–আফগানিস্তান সীমান্তে থেমে থেমে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। এ প্রেক্ষাপটে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলসহ কয়েকটি স্থানে পাকিস্তানের বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেন, তালেবান কর্তৃপক্ষের প্রতি ইসলামাবাদের ধৈর্যের সীমা শেষ হয়ে এসেছে।

ওআইসি বৈঠক প্রসঙ্গে ড. খলিলুর রহমান জানান, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতার সমর্থন চাওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সদস্যদেশগুলোর প্রতিনিধিরা শুধু সমর্থনই নয়, বাংলাদেশের পক্ষে প্রচারণা চালানোর আশ্বাস দিয়েছেন। এ পদে বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছে সাইপ্রাস।

তিনি জানান, প্রায় ৪০ বছর পর আবারও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে নির্বাচনের সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ। ১৯৮৬ সালে ৪১তম অধিবেশনে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী এ পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ফিলিস্তিন নিজস্ব প্রার্থিতা বজায় রাখায় বাংলাদেশ সাময়িকভাবে প্রার্থিতা স্থগিত রেখেছিল। তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনে তা পুনরায় সক্রিয় হয়েছে। সময় কম হলেও ওআইসি দেশগুলোর সমর্থনে বাংলাদেশের সম্ভাবনা জোরালো হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এ ছাড়া ওআইসি বৈঠকে ভূমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত সাম্প্রতিক ইসরায়েলি আইনের নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।

বিমানবন্দরে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!