জাতীয়

পরিকল্পিত যাকাত ব্যবস্থাপনায় দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট: মার্চ ০৮, ২০২৬ : ০৫:৩১ এএম
পরিকল্পিত যাকাত ব্যবস্থাপনায় দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, লক্ষ্যভিত্তিক এবং সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে যাকাত দেওয়া হলে ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে শুধু যাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে দারিদ্র্য বিমোচনে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।

আজ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এতিম শিশু এবং ওলামা-মাশায়েখদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন। ইফতার পূর্ববর্তী সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ধনী-দরিদ্র সবমিলিয়ে প্রায় ৪ কোটি পরিবার রয়েছে। এসব পরিবার থেকে দরিদ্র বা হতদরিদ্র পরিবার চিহ্নিত করে প্রতিবছর পর্যায়ক্রমে ৫ লাখ পরিবারকে ১ লাখ টাকা করে যাকাত দিলে অধিকাংশ পরিবার পরের বছর আর যাকাত নেবে না। তিনি বলেন, “এভাবে পরিকল্পিত ও সুনির্দিষ্টভাবে যাকাত বিতরণ করলে ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে দারিদ্র্য বিমোচনে যুগান্তকারী প্রভাব পড়বে।”

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “ইসলামের বিধান অনুযায়ী সমাজের অনেক বিত্তবান নিজ উদ্যোগে যাকাত দেন, কেউ কেউ সরকারের ‘যাকাত বোর্ড’ মাধ্যমে যাকাত পরিশোধ করেন। তবে সুপরিকল্পিতভাবে বিতরণ না হওয়ায় যাকাতের অর্থ দারিদ্র্য বিমোচনে যথাযথ ভূমিকা রাখতে পারছে না।”

এসময় তিনি আলেম, ওলামা-মাশায়েখ এবং এতিম শিশুদের উদ্দেশ্যে বলেন, “এতিমদের প্রতি পবিত্র কোরআন ও হাদিসের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করলে তারা রাষ্ট্র ও সমাজে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যাবে। এই ইফতার মাহফিল বিত্তবানদের দৃষ্টিভঙ্গি ও দায়-দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম অযথা বাড়ানো বা অসাধু কর্মকাণ্ড বন্ধে তিনি বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

ইফতার মাহফিলে ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী প্রফেসর ডা এজেডএম জাহিদ হোসেন, এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলম, জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ, জাতীয় মসজিদ বাইতুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনও উপস্থিত ছিলেন।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!