সিডিউল অনুযায়ী সকাল সাড়ে ৬টায় রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে পৌঁছানোর কথা ছিল রংপুর এক্সপ্রেসের। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও ট্রেনটি তখনো ঢাকায় পৌঁছায়নি।
বেলা ১২টার পর নাগাদ ট্রেনটি পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হলেও এ বিষয়ে নিশ্চিত করতে পারেননি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ফলে প্রায় ছয় ঘণ্টা বিলম্বে চলাচল করছে ট্রেনটি।
আজ রোববার সকালে কমলাপুর রেলস্টেশন ঘুরে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।
রংপুর এক্সপ্রেসের এ বিলম্বে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। সরকারি-বেসরকারি অফিস খোলার দিনে নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে অনেকেই বিপাকে পড়েছেন। আবার যারা ঢাকা থেকে অন্যত্র যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন, তারাও পড়েছেন অনিশ্চয়তায়।
স্টেশন সংশ্লিষ্টরা জানান, রংপুর এক্সপ্রেস ছাড়াও বুড়িমারী এক্সপ্রেসসহ কয়েকটি ট্রেন বিলম্বিত হয়েছে। তবে এসব ট্রেনের বিলম্ব ১৫ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যে সীমিত ছিল। অন্যদিকে কিছু ট্রেন সময়মতোই ঢাকায় পৌঁছেছে।
আজ সকাল থেকে ঢাকায় পৌঁছেছে নীলসাগর এক্সপ্রেস, সুন্দরবন এক্সপ্রেস, তিতাস এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস ও কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস। রংপুর এক্সপ্রেস তখনো পথে রয়েছে।
এদিকে আজ ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে রংপুর এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস, কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস, জয়দেবপুর কমিউটার, জয়ন্তীকা এক্সপ্রেস, নকশিকাঁথা এক্সপ্রেস ও অগ্নিবীনা এক্সপ্রেসসহ আরও কয়েকটি ট্রেন।
রংপুরগামী যাত্রী সামান্তা হক বলেন, “কখন ট্রেন আসবে, কেউ বলতে পারছে না। অনেকক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছি।”
আরেক যাত্রী ইদ্রিস আলী বলেন, “এভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করার চেয়ে বাসে যাওয়া ভালো। বিশেষ করে বয়স্কদের জন্য এটা খুব কষ্টকর।”
এ বিষয়ে জানতে কমলাপুর স্টেশনের ব্যবস্থাপক সাজেদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!