বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ক্যাম্পাসে শুরু হয়েছে দুইদিনের বুয়েটিয়ান এন্টারপ্রেনারস সামিট (BUETEN SUMMIT) ২০২৬। শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই, উদ্যোক্তা, শিক্ষক, শিল্পনেতা ও নীতিনির্ধারকরা সামিটে অংশ নিয়ে উদ্যোগ, উদ্ভাবন ও নীতি সংলাপকে কেন্দ্র করে আলোচনা করছেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বুয়েটের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ. বি. এম. বদরুজ্জামান, বিশেষ অতিথি মো. আব্দুল আওয়াল এবং স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার ডিরেক্টর ড. এ. কে. এম. মাসুদ। উপাচার্য বলেন, “শুধু পাঠ্যপুস্তক নয়, বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উদ্ভাবন ও উদ্যোগ অপরিহার্য। BUETEN সামিট শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইকে শিল্প, নীতিনির্ধারক ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সংযোগের সুযোগ দিচ্ছে।”
প্রথম দিনে চারটি সমান্তরাল সেশন অনুষ্ঠিত হয় – উদ্যোক্তা উন্নয়ন, স্টার্টআপ নীতি সংলাপ, শিল্প–একাডেমিয়ার সংযোগ এবং খাতভিত্তিক উদ্ভাবন। শিক্ষার্থী ও উদ্যোক্তারা প্রকৌশল-ভিত্তিক সমাধান, বিনিয়োগ সুযোগ এবং বাজার সংযোগ নিয়ে আলোচনা করেছেন।
দিনের মূল আকর্ষণ ছিল সাকসেস স্টোরিজ সেশন, যেখানে দেশের নামকরা উদ্যোক্তারা তাদের যাত্রা ও অভিজ্ঞতা ভাগ করেছেন। উপস্থিত ছিলেন মো. কাজী জাহেদুল হাসান (কাজী ফার্মস গ্রুপ), মো. রাবিউল আলম (এনার্জিপ্যাক), মিসেস নাজনীন (সোলারিক) ও মো. শুভ রহমান (আইফার্মার)। তারা শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা দেন, উদ্যোক্তা হওয়া শুধু ব্যবসা নয়, সমাজে প্রভাব তৈরি করারও মাধ্যম।
BUETian Entrepreneurs Network (BUETEN) শিক্ষার্থীদের মেন্টরিং, বিনিয়োগ, বাজার সংযোগ ও নীতি সংলাপের মাধ্যমে সহায়তা করবে বলে জানিয়েছেন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ড. শাজ্জাদ হোসেন।
শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, “এখানে এসে বুঝতে পারলাম কিভাবে আমার আইডিয়াকে বাস্তব উদ্যোগে রূপান্তর করা যায়।” আলিয়া রহমান বলেন, “BUETEN আমাদের উদ্ভাবনী দক্ষতা বাড়াচ্ছে।”
সামিট আয়োজন করেছে BUET এন্টারপ্রেনারশিপ ডেভেলপমেন্ট ক্লাব (BUET EDC)। ড. মাসুদ আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্ল্যাটফর্ম থাকবে এবং দেশের তরুণদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!