আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ২১ জানুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিসিএসসহ সব সরকারি চাকরির পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জানিয়েছেন একদল চাকরিপ্রার্থী। তরুণ ভোটারদের নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এ দাবি তোলা হয়েছে।
আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে এ দাবিসংবলিত একটি স্মারকলিপি জমা দেন তাঁরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী জালাল আহমদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে যায়। প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন এনামুল হক জমিদার, আল আমিন, নাইমুল হাসান দুর্জয় ও মাহমুদুল হাসান। তাঁরা নিজেদের ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে পরিচয় দেন।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, দীর্ঘদিন ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ না পাওয়ার পর আসন্ন নির্বাচন তরুণদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনী প্রচারণা ও গণভোট কার্যক্রমে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পরীক্ষা স্থগিত রাখা প্রয়োজন।
জালাল আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনকালীন সময়ে একদিকে নাগরিক দায়িত্ব পালনের চাপ, অন্যদিকে কঠিন প্রতিযোগিতামূলক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি—এই দ্বিমুখী চাপ তরুণ ভোটারদের অংশগ্রহণকে বাধাগ্রস্ত করছে। বিশেষ করে ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি ও বিভিন্ন ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা মানসিক চাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
তাঁর দাবি, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সময়ে নির্বাচন কমিশনের নির্বাহী ক্ষমতা রয়েছে। সে ক্ষমতা প্রয়োগ করে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব সরকারি চাকরির পরীক্ষা স্থগিত করা যেতে পারে।
চাকরিপ্রার্থীরা তিন দফা দাবি জানিয়েছেন। দাবিগুলো হলো—
এক. ২১ জানুয়ারির পর থেকে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিত রাখা।
দুই. একই সময়ে সব সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা।
তিন. নির্বাচনকালীন সময়ে নতুন কোনো সরকারি চাকরির পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা না করা।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!