আজ রোববার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ১/১১ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত, বেগম জিয়া যে অবিচার ও নির্যাতনের মুখে মাথা নত করেছেন না — সেই দৃঢ়তা ও সাহসিকতা তাকে জাতীয় রাজনীতিতে অনন্য নেতৃত্বে পরিণত করেছে। জাহিদুল ইসলাম বলেন, তার নম্রতা, ধৈর্য ও দৃঢ়তার সমন্বয়, এবং দেশের স্বার্থে আপসহীন অবস্থানই ছিল আমার জন্য সবচেয়ে বড় ভালো দিক। ছাত্র সংগঠক হিসেবে তিনি মনে করেন, বিএনপি–র প্রতিষ্ঠাতা স্মরণীয় চরিত্র হয়ে আছেন, কারণ তারা বিভাজন নয়, জাতীয় ঐক্যের পথ দেখিয়েছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সময়ে বেগম জিয়া–র অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ আগামী প্রজন্মের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, নতুন প্রজন্ম রাজনৈতিক প্রতি-বিরোধ বা ব্যক্তিগতর বিরুদ্ধে নয়, বরং ফ্যাসিবাদী আচরণ ও আধিপত্যবাদ-বিরোধী ঐক্য ও আদর্শিক রাজনীতির দিকে যাবে।
জাহিদুল ইসলাম বলেন, অতীতে তিনি ভারতের মতো প্রশাসনিক দমন-পীড়নের শিকার নেতাকর্মীদের দেখেছেন; তাই তিনি বিশ্বাস করেন, যদি বিএনপি-র পুরনো আদর্শ বজায় রাখা যায়, দল টিকে থাকবে; অন্যথায় সেই আদর্শ থেকে সরে গেলে ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়বে। তিনি বাম রাজনৈতিক শক্তি ও কিছু বিদেশি বন্ধু রাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, বলেছে — যারা বিভাজন, স্বার্থপরতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার নামে ইসলামবিদ্বেষ করছে, তারা কোনো দিন দেশের দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থে কাজ করেনি। জাহিদুল ইসলাম যোগ করেন, দেশে সহনশীলতা, আদর্শিক অটলতা ও জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করতে পারে এমন রাজনীতিই এখন প্রয়োজন।
আরএস
No comments yet. Be the first to comment!