তারেক রহমান বলেছেন, এই সংকটের সময়ে তিনি তার অসুস্থ মায়ের পাশে থাকতে চান। কিন্তু, দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত পুরোপুরি তার নিজের হাতে নেই। কেন তা তার নিজের ব্যাপার নয় — সে বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যার সুযোগও তার সীমিত বলেই উল্লেখ করেছেন তিনি।
গতকাল শনিবার তার ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টের পর রাজনৈতিক মহল ও বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা–দাবি চলছে: সত্যিই কি তার দেশে ফিরে আসা বাধাগ্রস্ত? এই প্রশ্নের উত্তরে তার দলের পক্ষ থেকে এসেছে — সরকারের কোনো বাধা বা আপত্তি নেই। কিন্তু, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘উনি নিজেই ফেসবুকে যা বলেছেন, সেটাই যথেষ্ট ছিল—এ বিষয়ে আমার আলাদা মন্তব্যের প্রয়োজন নেই।’
বিএনপির অন্য কয়েকজন শীর্ষ নেতা–মহাসদস্যরা প্রকাশ্যে খুব স্পষ্টভাবে বলছেন না, তবে তারা সতর্ক করে জানাচ্ছেন, তারেকের দেশে ফেরা সহজ নয়। বর্তমান রাজনৈতিক ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নিরাপত্তা এবং সম্ভাব্য মব বা উগ্রচেতা গোষ্ঠীর আশঙ্কা — এসবই এখন বড় বাধা হিসেবে দেখা যায়। এক বিএনপি নেতা দাবি করেছেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া–র পরে তারেকই দলের এবং দেশের ভরসা। তাই, শুধু আবেগ বা সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে দেশে আসা যাবে না — মাইলস্টোন হিসেবে সময়, নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় রাখতে হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, তারেকের দেশে ফেরা কেবল ব্যক্তিগত বা পারিবারিক বিষয় নয়; এটি এখন দলের কৌশল, জাতীয় রাজনীতি, আইনশৃঙ্খলা, এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে যুক্ত। সুতরাং, এই সিদ্ধান্ত এককভাবে হয় না — সময়, পরিস্থিতি এবং দ্বিমুখী সামঞ্জস্য রাখতে হবে।
আরএস
No comments yet. Be the first to comment!