রাজনীতি

নাহিদ ইসলামের বার্ষিক আয় ১৬ লাখ টাকা

আপডেট: জানু ০১, ২০২৬ : ০৬:০২ পিএম
নাহিদ ইসলামের বার্ষিক আয় ১৬ লাখ টাকা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলামের বার্ষিক আয় ১৬ লাখ টাকা। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

হলফনামার তথ্যমতে, ২৭ বছর বয়সী নাহিদ ইসলামের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক (সম্মান)। তার বাবার নাম মো. বদরুল ইসলাম জমির এবং মায়ের নাম মমতাজ নাহার। তিনি বর্তমানে রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রী এলাকায় বসবাস করছেন। পেশা হিসেবে তিনি নিজেকে পরামর্শক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এর আগে তিনি বাংলাদেশ সরকারের একজন উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, নাহিদ ইসলামের বার্ষিক আয়ের প্রধান উৎস পরামর্শক পেশা, যেখান থেকে তিনি বছরে ১৬ লাখ টাকা আয় করেন। তার স্ত্রী ফাতিমাতুজ জোহরা একজন গৃহিণী। তার কোনো নিয়মিত আয়ের উৎস দেখানো হয়নি।

হলফনামা অনুযায়ী, নাহিদ ইসলামের নামে কোনো স্থাবর সম্পদ—যেমন জমি বা বাড়ি—নেই। তবে অস্থাবর সম্পদের মধ্যে তার কাছে নগদ রয়েছে ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং তার স্ত্রীর কাছে রয়েছে ২ লাখ টাকা। সোনালী ব্যাংকের রমনা কর্পোরেট শাখায় তার ব্যাংক জমার পরিমাণ ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৩৬৩ টাকা।

স্বর্ণালংকারের হিসাবে নাহিদ ইসলামের নিজের নামে রয়েছে ৭ লাখ ৭৫ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার এবং তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ১০ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার। এ ছাড়া তার ১ লাখ টাকা মূল্যের ইলেকট্রনিক সামগ্রী এবং ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা মূল্যের আসবাবপত্র রয়েছে।

হলফনামায় আরও বলা হয়েছে, নাহিদ ইসলামের অর্জনকালীন মোট সম্পদের পরিমাণ ২৬ লাখ ৫ হাজার ৩৬৩ টাকা, যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা। তার স্ত্রীর অর্জনকালীন সম্পদের পরিমাণ ১২ লাখ টাকা, যা বর্তমানে প্রায় ১৫ লাখ টাকা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

আয়কর সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫–২৬ কর বছরে নাহিদ ইসলাম ১ লাখ ১৩ হাজার ২৭৪ টাকা আয়কর পরিশোধ করেছেন। তার আয়কর রিটার্নে প্রদর্শিত মোট সম্পদের পরিমাণ ৩২ লাখ ১৬ হাজার ১২২ টাকা।

দায়দেনার হিসাবে নাহিদ ইসলামের নামে কোনো ঋণ নেই। তবে তার স্ত্রীর নামে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের রামপুরা শাখায় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার একটি ঋণ রয়েছে।

হলফনামার আইনি ও রাজনৈতিক তথ্য অংশে নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেছেন, তার বিরুদ্ধে বর্তমানে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই এবং অতীতেও তিনি কোনো মামলায় অভিযুক্ত হননি। তিনি এর আগে কখনো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হননি বলেও হলফনামায় জানিয়েছেন।


আরএস

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!