রাজনীতি

কোনো ধান্দাবাজ ও কসাইদের হাতে দেশকে পড়তে দেব না: মির্জা আব্বাস

আপডেট: জানু ২০, ২০২৬ : ০৪:৫৮ পিএম ১০
কোনো ধান্দাবাজ ও কসাইদের হাতে দেশকে পড়তে দেব না: মির্জা আব্বাস

বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে চলমান অপপ্রচারের কড়া সমালোচনা করে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, দেশ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তিনি জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কাজ করে যাবেন। তবে কোনো প্রতারক, ধান্দাবাজ কিংবা ‘কসাইদের’ হাতে দেশকে তুলে দেওয়া হবে না বলে তিনি দৃঢ় কণ্ঠে ঘোষণা দেন।

আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন মির্জা আব্বাস। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি এ সভার আয়োজন করে।

সভায় মির্জা আব্বাস বলেন, নির্বাচনী মাঠে বিএনপিকে ঘিরে যেভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তা তিনি আর সহ্য করতে পারছেন না। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে নেমেছি, কিন্তু যেভাবে আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, ধৈর্য ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।’

নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, তিনি কোনো ঠিকানাবিহীন মানুষ নন। ‘আমার বাড়ি ঢাকা ও শাহজাহানপুরে। আমার পরিচয়, ঠিকানা আছে। যারা ঠিকানাবিহীন, তারাই নানা কথা বলে,’ মন্তব্য করেন তিনি।

দেশের প্রয়োজনে রাজপথে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমি এই দেশের একজন কর্মী। স্বাধীনতার সময় থেকে শুরু করে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যা করা দরকার, সবই করেছি এবং শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত করে যাব ইনশাআল্লাহ। কিন্তু কোনো প্রতারক, ধান্দাবাজ ও কসাইদের হাতে দেশকে পড়তে দেব না।’

এনসিপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘তারা নিজেদের যোদ্ধা বলে। আমরা কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা। আমরা একটি দেশ স্বাধীন করেছি। পরবর্তীতে স্বৈরতন্ত্রবিরোধী আন্দোলনেও ভূমিকা রেখেছি। কিন্তু আমরা কখনো বলিনি, আমাদের মন্ত্রী হতেই হবে।’

নতুন প্রজন্মের রাজনীতিকদের উদ্দেশে আব্বাস বলেন, রাজনীতি শিখতে সময় লাগে। লোভে পড়ে দ্রুত সবকিছু পেতে চাওয়ার মানসিকতা পরিহার করতে হবে। তিনি বলেন, ‘রাজনীতি ধীরে ধীরে করতে হয়। দেশের জন্য কাজ করতে হয়। আমরা চাই তোমরা এগিয়ে আসো। কিন্তু অপকর্ম করলে তার জবাব দিতে আমরা প্রস্তুত।’

মির্জা আব্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ড. আব্দুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু এবং চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা।


আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!