রাজনীতি

১৭ বছর পর লন্ডন থেকে একজন মুফতি দেশে এসেছেন—এমন মন্তব্য জামায়াত নেতার

আপডেট: জানু ২৩, ২০২৬ : ০৫:১৬ এএম ১১
১৭ বছর পর লন্ডন থেকে একজন মুফতি দেশে এসেছেন—এমন মন্তব্য জামায়াত নেতার

জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সাইফুল আলম খান মিলন বলেছেন, ১৭ বছর পর লন্ডন থেকে একজন মুফতি দেশে এসে মুসলমানদের কুফরি আখ্যা দিচ্ছেন। তিনি বলেন, তাঁরা একটি নতুন বাংলাদেশ চান—যেখানে পুরোনো ধাঁচের রাজনীতির জায়গা থাকবে না।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীতে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা-১৫ আসনের উদ্যোগে আয়োজিত এক জনসমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সাইফুল আলম খান মিলন। সমাবেশে জামায়াতের আমিরসহ জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, তাঁরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চান, যেখানে রাজনীতি হবে নৈতিকতা ও আদর্শভিত্তিক। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, পুরোনো রাজনীতি চলতে থাকলে অতীতে মানুষের আত্মত্যাগ অর্থহীন হয়ে যাবে।

চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, বর্তমান রাজনীতিতে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি একাকার হয়ে গেছে। কিছু রাজনৈতিক শক্তি প্রকাশ্যে রাজনীতির কথা বললেও আড়ালে চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতি থেকে মুক্ত হতে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন তিনি।

তিনি ভারতীয় আধিপত্যবাদের সমালোচনা করে বলেন, বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন ও নারী কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এসব ঘটনায় আইনানুগ প্রতিকার থাকা সত্ত্বেও শারীরিক লাঞ্ছনা গ্রহণযোগ্য নয়।

সিলেট সফরে বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের দেওয়া বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে সমালোচনা করেন জামায়াতের এ নেতা। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী জান্নাতের টিকিট বিক্রি করছে—এমন বক্তব্যের কোনো উদাহরণ দেওয়া হয়নি। ধর্মীয় বিষয়ে ঠাট্টা বা উপহাস করা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সাইফুল আলম খান মিলন আরও বলেন, যেসব রাজনীতিবিদ বিদেশি আশীর্বাদ নিয়ে দেশ শাসন করতে চান, সে ধরনের রাজনীতি তাঁরা প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি তরুণদের আহ্বান জানান চাঁদাবাজি ও দখলমুক্ত একটি বাংলাদেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য।

সমাবেশে তিনি একটি ন্যায়ভিত্তিক, স্বাধীন ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।


আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!