রাজনীতিকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করলেই দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও মামলাবাজির মতো অপরাধ জন্ম নেয়—এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জামায়াত রাজনীতিকে কখনোই পেশা নয়, বরং দায়িত্ব ও ইবাদত হিসেবে দেখে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে হবিগঞ্জের নিউ ফিল্ড মাঠে আয়োজিত জামায়াতের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “যারা রাজনীতিকে আয়ের উৎস বানিয়েছে, তারাই দেশের সর্বনাশ করেছে। দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, লুটপাট আর মিথ্যা মামলায় দেশ আজ জর্জরিত।”
তিনি আরও বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে কোনো এমপি বা জনপ্রতিনিধি রাষ্ট্রীয় সুবিধা অপব্যবহার করবে না। বিনা ট্যাক্সের গাড়ি কিংবা স্বল্পমূল্যের সরকারি ফ্ল্যাট কেউ গ্রহণ করবে না। প্রয়োজনে জনপ্রতিনিধিরা রিকশায় চলাচল করবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জামায়াত আমির জানান, দলের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও তাঁদের পরিবারের আয়-ব্যয়ের হিসাব জনসম্মুখে প্রকাশ করা হবে। জনগণের সম্পদে কেউ হাত দিলে কোনো রকম ছাড় দেওয়া হবে না।
দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি নির্মূলের বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “কেউ চাঁদা নিতে এলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দেশ আজ সন্ত্রাস আর দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে—এর দায় যারা আগে দেশ শাসন করেছে, তাদেরই নিতে হবে।”
তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন এলেই শাসকগোষ্ঠী নানা প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু ভোট শেষ হলে জনগণকে ভুলে যায়। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে জনগণের সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নই হবে সরকারের প্রধান অঙ্গীকার।
No comments yet. Be the first to comment!