জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন, প্রশাসন পুরোপুরি নিরপেক্ষ নয়। তবে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত তার এলাকায় ভোটের পরিবেশ ভালো অবস্থায় আছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বদরগঞ্জ পৌর শহরের বালুয়াভাটা নেহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, “গতকাল অনেকেই নানা অঘটন ঘটানোর চেষ্টা করেছে। আমি ওসিকে জানাতে চেয়েছিলাম, কিন্তু কোনো রেসপন্স পাইনি। তবে এখন পর্যন্ত ভালো অবস্থাই আছে।”
তিনি আরও বলেন, “এটি তো ১৭ বছর পর ভোট। ১৫ বছর আমি জেলেই ছিলাম। বহু মানুষ বাইরে থেকে ভোট দিতে পারেনি। এজন্য আনন্দিত যে জনগণ এবার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছে।” তবে তিনি কিছু কারিগরি সমস্যার কথা তুলে ধরেন। যেমন, ভোটকেন্দ্রের লাইট অপর্যাপ্ত ছিল এবং সিল ঠিকমতো বসানো যাচ্ছিল না।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে এটিএম আজহারুল বলেন, “প্রশাসন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বলব না। আমাদের দেশের ভোট অনেক সমস্যাগ্রস্ত। তবে সার্বিকভাবে এখন পর্যন্ত ভোট দেওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি ভালোই মনে হচ্ছে।”
জয়ের বিষয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “জনগণের প্রতিক্রিয়া ইতিবাচক। অন্য কোনো অঘটন না হলে স্বাভাবিকভাবে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করবো ইনশাআল্লাহ।”
রংপুর-২ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৮০ হাজার ৯২১ জন। ১৩৭টি কেন্দ্রের ৮০১টি বুথে ভোটগ্রহণ হবে। এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর এটিএম আজহারুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির আনিছুল ইসলাম মণ্ডল, বিএনপির মোহাম্মদ আলী সরকার, ইসলামী আন্দোলনের আশরাফ আলী এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের আজিজুর রহমান।
এ আসনে বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীকে ভোটাররা হেভিওয়েট হিসেবে দেখছেন। আওয়ামী লীগ নির্বাচনে নেই; ফলে জাতীয় পার্টির প্রার্থী কিছুটা এগিয়ে থাকার সম্ভাবনা দেখছেন অনেকে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর এটিএম আজহারুল ইসলামও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম বলে মনে করছেন দলের নেতাকর্মীরা।
ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার এই আসনে ভোটারদের উৎসাহ ও আগ্রহ নির্বাচনের রূপই নির্ধারণ করবে।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!