জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, নির্বাচনে জনগণ ১১ দলের পক্ষে ভোট দিয়েও শেষ মুহূর্তে প্রায় ১০ শতাংশ ভোট কারচুপি হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেছেন, গণভোটে জনগণ ৬০ শতাংশের বেশি সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন। কিন্তু নির্বাচনে ফলাফল ঘোষণা করার সময় গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলোর ফলাফলে কারচুপি করে ক্ষমতা দখল করার চেষ্টা করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, নির্বাচন কৌশলে পরিচালিত হলেও শেষ মুহূর্তে ১১ দলের গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীদের হারিয়ে দিয়ে কেন্দ্রগুলো দখল করে প্রশাসন ব্যবহার করে ফলাফল পরিবর্তন করা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা পুরনো আমলের নির্বাচনের মতোই ঘটেছে।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১১ দলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ওপর হামলার খবর পাওয়া গেছে। এ পরিস্থিতিতে, যারা নির্বাচনে কাজ করেছে তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে আন্দোলন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে জোট। জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, রাজপথে নামার প্রয়োজন হলে তারা সেটার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন।
তিনি জনগণকে অভিবাদন জানিয়ে বলেন, নির্বাচনে যে বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট সংস্কারের পক্ষে পড়েছে, তা জনগণের চাওয়ার স্বীকৃতি। তবে শেষ মুহূর্তের কারচুপির কারণে বিজয় পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়নি। নির্বাচনের বিষয়ে চূড়ান্ত অবস্থান নির্ভর করবে প্রার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার ওপর।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডা. শফিকুর রহমান, আল্লামা মামুনুল হক, জাগপা মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, জামায়াত ও জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!