দুই-একদিনের মধ্যে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠন করবে বিএনপি। এর মধ্যে চলছে মন্ত্রিসভা গঠনের আলোচনা। মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শোনা যাচ্ছে ববি হাজ্জাজের নাম, তরুণ প্রজন্মের রাজনীতিবিদ ববি হাজ্জাজ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা ১৩ আসন থেকে নির্বাচিত হন।
স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের মতে, তরুণ প্রজন্মের উদীয়মান নেতা ববি হাজ্জাজকে শিক্ষা মন্ত্রী করা হলে তরুণ প্রজন্মের শিক্ষা উন্নয়নে ত্বরান্বিত হবে। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির রাজনীতিবিদ ববি হাজ্জাজ, তরুণ প্রজন্মের শিক্ষাথীদের সাথে তার গভীর সম্পর্ক রয়েছে, ববি হাজ্জাজ বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি পরিচিত নাম। তিনি মূলত একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক হিসেবে পরিচিতি পেলেও পরবর্তীতে রাজনীতিতে সক্রিয় হন। বিগত সময়ে তরুণ প্রজন্মের কাছে বিকল্প রাজনৈতিক ধারার বার্তা পৌঁছে দেওয়াই ববি হাজ্জাজের প্রধান লক্ষ্য ছিল।
ববি হাজ্জাজের রাজনৈতিক দল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এনডিএম প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ছিলেন। গত ত্রয়োদশ নির্বাচনে ববি হাজ্জাজ এনডিএম থেকে পদত্যাগ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগ দেন এবং ঢাকা-১৩ আসন থেকে 'ধানের শীষ' প্রতীকে শক্ত একজন প্রার্থীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হয়েছেন।
তরুণ স্মার্ট উচ্চশিক্ষিত ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির রাজনীতিক ববি হাজ্জাজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়াও, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাস অ্যাট অস্টিন থেকে পলিটিক্যাল সায়েন্সে উচ্চতর ডিগ্রি নেন। তিনি দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী মুসা বিন শমসেরের পুত্র হলেও, পারিবারিক ব্যবসার চেয়ে শিক্ষা উন্নয়ন এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষণের দিকেই তার ঝুঁকেছিলেন বেশি। তিনি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। স্মার্ট এই তরুণ রাজনীতিবিদ দেশের শিক্ষা খাত নিয়ে বরাবরই আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। উচ্চ শিক্ষাসম্পন্ন ও পরিচ্ছন্ন এই রাজনীতি দেশের শিক্ষাঙ্গণকে ঢেলে সাজাতে চান। শিক্ষার মান যেনো উন্নত বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারেন সেদিকে তার লক্ষ্য।
স্মার্ট এই রাজনীতিবিদ ববি হাজ্জাজ টেলিভিশন টকশো এবং বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষক হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়। দেশের সমসাময়িক রাজনীতি, সুশাসন, শিক্ষা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁর ধারালো বিশ্লেষণ মানুষকে আকৃষ্ট করে। তাঁর উপস্থাপনা শৈলী এবং স্পষ্টবাদিতা তাকে সাধারণ মানুষের কাছে পরিচিত করে তোলে।
বর্তমান তরুণ প্রজন্ম উগ্র রাজনীতির বিপরীতে সব সময় অহিংস রাজনীতি দেখতে চান। ববি হাজ্জাজ বাংলাদেশে সেই অহিংস রাজনীতির চর্চা করেন। তিনি টিভি টকশোতে প্রায় বাংলাদেশের রাজনীতির হিংস্র প্রকৃতির বিরুদ্ধে কথা বলেছেন।
বিভিন্ন সময় সভা সেমিনারে ববি হাজ্জাজ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে তার ভাবনা ও পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে বলিষ্ঠ করতে পারলে ১০/২০ বছর পর বাংলাদেশের চেহারা পাল্টে যাবে। তরুণদের শুধু পুঁথিগত বিদ্যায় সীমাবদ্ধ না রেখে, আত্মবিশ্বাসী ও স্বাবলম্বী প্রজন্ম গড়ে তুলতে হবে। গোটা দেশে কারিগরি প্রশিক্ষণ, পেশাগত দিকনির্দেশনা এবং উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণের নিশ্চয়তা দেওয়া হবে।
তিনি সব সময় বলতেন ‘অঙ্গীকার নয়, কাজেই পরিচয়।’রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে এবং রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে ববি হাজ্জাজের মতো উচ্চশিক্ষিত স্মার্ট ও প্রতিভাবান তরুণের মন্ত্রিসভায় থাকা প্রয়োজন। স্বাধীনতার চেতনা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার যে বার্তা তারেক রহমান দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে তরুণ নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিক্ষাখাতসহ গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির মানুষই প্রয়োজন। তাই তরুণ প্রজন্ম মনে করে ববি হাজ্জাজকে শিক্ষা মন্ত্রী বানানো প্রয়োজন।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!