বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলাফল দলটি ‘অনেক কষ্টে’ মেনে নিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের’ মাধ্যমে জনগণের রায় পাল্টে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন গোলাম পরওয়ার। সমাবেশে সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান ও খলিলুর রহমানের গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানানো হয়। জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
গোলাম পরওয়ার বলেন, তাঁদের দল আশা করেছিল জনগণের ভোটে প্রায় ১৬০টি আসন পাবে। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে সেই সংখ্যা কমিয়ে আনা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, ভোট গণনার সময় বিভিন্ন ধরনের কারসাজি ও হস্তক্ষেপ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা অনেক কষ্টে নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েছি। কারণ আমরা জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করে দেশ পরিচালনা করতে চাই।’ একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কিছু ব্যক্তি নাকি নির্দিষ্ট একটি দলকে ক্ষমতায় আনতে ভূমিকা রেখেছেন।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, কিছু গণমাধ্যম ও টকশোতে তাঁদের দলকে নিয়ে নানা ধরনের অভিযোগ করা হয়। তবে এসব অভিযোগের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নেই বলে তিনি দাবি করেন। তিনি বলেন, নির্বাচন-সংক্রান্ত অনিয়মের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের সামনে এনে তদন্ত করার আহ্বান জানানো উচিত।
গোলাম পরওয়ার বলেন, একটি নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব হলো নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে দেশ পরিচালনা করা। তিনি প্রশাসনে দলীয়করণের অভিযোগ তুলে সরকারকে সংযত থাকার আহ্বান জানান।
সমাবেশে কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ইয়াসির আরাফাত ও সংসদ সদস্য কামাল হোসেনসহ দলটির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!