রাজনীতি

সংবিধান সংস্কারে ‘উপেক্ষার নীতি’ নিচ্ছে সরকার: বিরোধীদলীয় নেতা

আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২৬ : ০৫:৩০ এএম
সংবিধান সংস্কারে ‘উপেক্ষার নীতি’ নিচ্ছে সরকার: বিরোধীদলীয় নেতা

সংবিধান সংস্কার ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের প্রশ্নে সরকার ‘উপেক্ষার নীতি’ অনুসরণ করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

রোববার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশন শেষে সংসদ ভবনের বাইরে এক সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা ৭০ ভাগ মানুষের ভোটকে উপেক্ষা করতে পারি না। নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে যে অঙ্গীকার করেছি, মানুষ সেই আহ্বানে সাড়া দিয়েছে।” তিনি অভিযোগ করেন, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছে না।

তিনি জানান, গত ১৫ মার্চ পয়েন্ট অব অর্ডারে বিষয়টি উত্থাপন করলে স্পিকার লিখিত নোটিস দিতে বলেন। পরে লিখিত নোটিস দেওয়া হয়েছে এবং তা সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে। “বিভিন্ন বাধা এলেও স্পিকার রুলিং দিয়ে ৩১ মার্চ দুই ঘণ্টার আলোচনার সময় নির্ধারণ করেছেন,” বলেন তিনি।

গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যে আদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে, একই আদেশে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে। “একটি বৈধ আর অন্যটি অবৈধ—এমন ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয়,” মন্তব্য করেন তিনি।

বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, বর্তমান সংসদ একটি বিশেষ প্রেক্ষাপটে গঠিত হয়েছে, যেখানে জনগণের ত্যাগ ও আন্দোলনের ভূমিকা রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নির্ধারিত আলোচনায় সরকার দল জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দেবে এবং সংকট নিরসনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন ও শপথ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা আইনমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে প্রত্যাশিত। একই সঙ্গে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

৩১ মার্চ নির্ধারিত আলোচনায় বিরোধী দল অংশ নেবে বলেও জানান ডা. শফিকুর রহমান।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!