জাতীয় সংসদের বলেছেন, ১৯৭৫ সালের অভ্যুত্থানের সময় সংবিধানকে যদি কঠোরভাবে মেনে চলা হত, তবে বেগম জেল থেকে বের হতে পারতেন না। তিনি বলেন, তখন রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে তিনি কারাগার থেকে মুক্ত হন।
মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি জানান, সংবিধানের কিছু ধারা রাজনৈতিক সুবিধার জন্য মেনে নেওয়া হয় এবং বিপক্ষে থাকা ধারা উপেক্ষা করা হয়। “সেদিন বেগম জিয়াকে অভ্যুত্থানের জনরায়ের ভিত্তিতে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু এখন সংবিধান যেসব জায়গায় সুবিধা দেবে সেগুলোই মানা হচ্ছে,” বলেন তিনি।
হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, গণতন্ত্রের জন্য বেগম জিয়া যে আপসহীন লড়াই করেছেন, তা উপেক্ষা করা যায় না। তবে ৭২ সালের সংবিধানের সব ধারা সমানভাবে মানা হয়নি। তিনি উল্লেখ করেন, যেসব ধারা নিজের পক্ষে গেছে তা মানা হয়েছে, বিপক্ষে যেগুলো গেছে তা উপেক্ষা করা হয়েছে।
তিনি সংসদে প্রশ্ন তুলেছেন, ৬৪ বিধি অনুযায়ী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়েছিল কি না, এবং তখনকার প্রধান বিচারপতি কোথায় ছিলেন।
সংবিধান, ত্যাগ এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “গত ১৭ বছর নেতাকর্মীরা রক্ত, শ্রম এবং ত্যাগের মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক লড়াই চালিয়ে এসেছেন। প্রতিটি ফ্যাসিবাদ বিরোধী রাজনৈতিক দলের ভূমিকা দেশকে এই অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে।”
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!