হঠাৎ চিনি ছাড়ার পর প্রথম কয়েক দিন কিছুটা কঠিন লাগতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জিভ ও মস্তিষ্ক দুটোই দ্রুত গ্লুকোজের অভ্যস্ত হওয়ায় শুরুতে মাথাব্যথা, এনার্জি কমে যাওয়া বা মিষ্টি খাবারের প্রতি আকাঙ্ক্ষা বাড়তে পারে। এটিই শরীরের স্বাভাবিক অভিযোজন প্রক্রিয়া। দুই সপ্তাহ পেরোলে বদলে যায় স্বাদের অনুভূতি। চায়ের লিকার বা দুধের স্বাভাবিক মিষ্টতা আরও স্পষ্টভাবে টের পাওয়া যায়। তখনই বোঝা যায় আগে কতটা বেশি চিনি খাওয়া হতো। এই সময় থেকেই মিষ্টির প্রতি আকর্ষণও কমতে শুরু করে।
এক মাস চিনি ছাড়া চা পান করলে মিলতে পারে বেশ কিছু সুফল—
ওজন হ্রাস: প্রতিদিনের অতিরিক্ত ক্যালোরি কমে যাওয়ায় ওজন সামান্য কমতে পারে। বিশেষ করে কোমরের চারপাশের মেদ ঝরতে শুরু করে।
ত্বকের উন্নতি: চিনি প্রদাহ বাড়ায়। চিনি কমালে সেই ইনফ্লেমেশন কমে, ত্বক হয় সতেজ ও পরিষ্কার।
হৃদযন্ত্র ও লিভারের উন্নতি: অতিরিক্ত চিনি খারাপ কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং লিভারের ওপর চাপ ফেলে। চিনি কমালে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি হ্রাস পায়, হৃদযন্ত্রও উপকৃত হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মাত্র এক মাস চিনি ছাড়া চা পান করার পরই অনেকেই আগের অভ্যাসে ফিরতে চান না। কারণ এই ছোট পরিবর্তন শুধু ক্যালোরি কমায় না, বরং শরীর–মনের পুরো খাদ্যাভ্যাসকেই আরও স্বাস্থ্যকর পথে নিয়ে যায়।
আরএস
No comments yet. Be the first to comment!