স্বাস্থ্য

তীব্র ঠান্ডায় হাসপাতালে বেড়েছে শিশু রোগী, ২৪ ঘণ্টায় ৯৬৩ শিশুর চিকিৎসা

আপডেট: জানু ০৬, ২০২৬ : ০৬:১০ এএম
তীব্র ঠান্ডায় হাসপাতালে বেড়েছে শিশু রোগী, ২৪ ঘণ্টায় ৯৬৩ শিশুর চিকিৎসা

শীতের তীব্রতা বাড়ায় হাসপাতালে শিশু রোগীর সংখ্যা তীব্রভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল অ্যান্ড ইনস্টিটিউট-এ গত ২৪ ঘণ্টায় বহির্বিভাগে ৯৬৩ শিশুর চিকিৎসা হয়েছে। শিশুদের মধ্যে কমন কোল্ড, নিউমোনিয়া, অ্যাজমা, চর্মরোগ ও ডায়রিয়া সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে।

হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী—

জরুরি বিভাগে: ২৪২ শিশু

মেডিসিন বিভাগে: ৬১৩ শিশু

সার্জারি বিভাগে: ১০৮ শিশু

নবজাতক ভর্তি: ১১৫ জন

বহির্বিভাগে নিউমোনিয়া নিয়ে আসে ৩৩ শিশু, যার মধ্যে ৯ জনকে গুরুতর অবস্থায় ভর্তি করা হয়। কমন কোল্ডে আক্রান্ত শিশু ১৬৮ জন, অ্যাজমা আক্রান্ত ২৮ জন এবং চর্মরোগে ২০৩ শিশু। ডায়রিয়া নিয়ে আসে ২৯ শিশু।

হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শীতকালে শিশুদের জ্বর, কাশি, ঠান্ডা, নিউমোনিয়া, ব্রংকাইটিস ও ডায়রিয়া বেশি দেখা দেয়। রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. কামরুজ্জামান বলেন, “শিশুদের শীতের কাপড় পরানো, মাথা ঢেকে রাখা, ঘরের ভালো বায়ু নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। ঠান্ডা লাগলে অ্যান্টিবায়োটিক ডাক্তার পরামর্শ ছাড়া দেয়া যাবে না।”

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট যক্ষ্মা হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আয়শা আক্তার বলেন, শীতকালে শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমা, নিউমোনিয়া ও সিওপিডি রোগী বেড়ে যায়। তিনি আরও বলেন, “শিশু ও বয়স্কদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে এসব সমস্যা বেশি দেখা দেয়। অভিভাবকরা সচেতন থাকুন।”

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, শিশুকে শীত থেকে রক্ষা করা এবং সময়মতো চিকিৎসা নেওয়া না হলে শীতকালীন রোগ গুরত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

 

আরএস


 

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!