সরকার দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে একই প্রশ্নপত্রে পাবলিক পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। শিক্ষার মান উন্নত করতে পাসের হার সাময়িকভাবে কমলেও দীর্ঘমেয়াদে শিক্ষার্থীদের মান উন্নয়নের জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে খাতা মূল্যায়নে কঠোরতা বাড়ানো হবে, যাতে পরীক্ষার মান নিশ্চিত করা যায়।
শনিবার (১৪ মার্চ) শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন রাজধানীর সরকারি বাসভবনে ‘এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইরাব)’ সদস্যদের সঙ্গে ইফতার-পরবর্তী মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, পরীক্ষায় নকল রোধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে। কোথাও নকল ধরা পড়লে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা ও ভিডিও নজরদারি ব্যবস্থার মাধ্যমে নকলের ঘটনা প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।
পরীক্ষা কেন্দ্র ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা দিতে পারবে না। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী যোগসাজশ কমবে এবং নকলের সুযোগ সীমিত হবে। তবে দুর্গম এলাকা, হাওর বা বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যতিক্রম থাকতে পারে।
মন্ত্রী আরও বলেন, অতীতে খাতা ঠিকভাবে মূল্যায়ন না করায় অনেক শিক্ষার্থী অযাচিতভাবে পাস পেয়ে শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে ফলাফলের হার কিছুটা কমেছে, কিন্তু ধীরে ধীরে শিক্ষার মান উন্নয়ন ও বাস্তবসম্মত ফলাফল নিশ্চিত করা হবে।
এছাড়া এমপিওভুক্তি ও মন্ত্রণালয়ের ফাইল নিষ্পত্তি বিষয়ে দীর্ঘসূত্রতা বরদাস্ত করা হবে না। কোনো ফাইল ৭২ ঘণ্টার বেশি সময় অকারণে আটকে রাখার অনুমতি দেওয়া হবে না বলেও জানান মন্ত্রী।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!