রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে পথচারী ৪৭.০৩%, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ৪৩.৩৭% এবং অন্যান্য যানবাহনের চালক ও আরোহী ৯.৫৮%।
দুর্ঘটনার সময়ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ভোরে ১১.২৪%, সকালে ১৮.৩৩%, দুপুরে ৯.৫৩%, বিকেলে ১৩.৪৪%, সন্ধ্যায় ৫.৮৬% এবং রাতে ৪১.৫৬% দুর্ঘটনা ঘটেছে।
দুর্ঘটনায় বাস ২৪.৮৭%, মালবাহী ট্রাক-ভ্যান-পিকআপ-ট্যাংকার ৩৫.১৪%, মোটরসাইকেল ২১.৫৩%, প্রাইভেটকার-জীপ-মাইক্রোবাস ৪.১২%, থ্রি-হুইলার ১১.৮২% এবং রিকশা ২.৪৮%।
রাজধানীতে যানজট ও অস্বাভাবিক যান চলাচলের কারণে দুর্ঘটনা বেড়ে যাচ্ছে। প্রধান কারণগুলো হলো:
১. মেয়াদোত্তীর্ণ ও ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন
২. যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল
৩. সড়কের তুলনায় যানবাহনের আধিক্য
৪. একই সড়কে বিভিন্ন গতির যানবাহন
৫. ফুটপাত দখল
৬. ফুটওভার ব্রিজ না থাকা বা ব্যবহার উপযোগী না থাকা
৭. সঠিক সাইন/মার্কিং না থাকা
৮. সড়ক ব্যবহারকারীর অসচেতনতা
৯. চাঁদাবাজি
রোড সেফটি ফাউন্ডেশন সুপারিশ করেছে:
রুট রেশনালাইজেশন করে আধুনিক বাস সার্ভিস চালু করা
মেয়াদোত্তীর্ণ যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন প্রত্যাহার করা
বাসের জন্য আলাদা লেন ব্যবস্থা করা
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব বাস বাধ্যতামূলক করা
অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ করা
বাস সার্ভিস বিস্তৃত ও উন্নত করা
যথাস্থানে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ ও ব্যবহারযোগ্য রাখা
ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা
ট্রাফিক সংস্থা ও সিটি করপোরেশনের সমন্বয় বৃদ্ধি
হাইড্রোলিক পার্কিং স্টেশন নির্মাণ
রেল ক্রসিংতে ওভারপাস/আন্ডারপাস করা
বাইপাস রোড নির্মাণ
সড়ক ব্যবহারকারীর সচেতনতা বৃদ্ধি
গণপরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ করা
রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনার হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে যাত্রাবাড়ি, ডেমরা, মোহাম্মদপুর, কুড়িল বিশ্বরোড এবং বিমানবন্দর সড়ক।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!